অবন্তিকার খবরে লেখক লীনা দিলরুবার ছবি, জিডি

আর্থিক কেলেঙ্কারীর ঘটনায় বহুল আলোচিত পি কে হালদারের বান্ধবী ও সহযোগী গ্রেপ্তার অবন্তিকা বড়ালের খবরে লেখক লীনা দিলরুবার ছবি ছাপা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার লেখক লীনা দিলরুবা ধানমন্ডি থানায় জিডিও করেছেন। তবে তারপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অবন্তিকা বড়ালের ছবি হিসেবে লীনা দিলরুবার ছবি শেয়ার হচ্ছে বলে জানান তিনি।

লীনা দিলরুবা গত ১৭-১৮ জানুয়ারির দিকে জানতে পারেন, তার ছবিসহ একটি খবর ছাপা হয়েছে। তবে, অনলাইন ও ছাপা পত্রিকার সাহিত্য পাতায় নিয়মিত তার ছবিসহ লেখা আসে বলে বিষয়টি সেভাবেই নিয়েছিলেন। খানিক পরেই অবশ্য ভুল ভাঙে লীনার। অবন্তিকার খবরে লীনা দিলরুবা নিজের ছবি দেখে আঁতকে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওই সংবাদপত্রে যোগাযোগ করেন। ছবিটি সরেও যায়।

তবে দু-এক দিন বাদে এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারেন মার্কিনপ্রবাসী মিলি সুলতানা তার ছবি দিয়ে অবন্তিকা বড়াল সম্পর্কে খবর পোস্ট দিয়েছেন। মিলির ফলোয়ার সংখ্যা লক্ষাধিক। লীনা দিলরুবা তাকে অনুরোধ জানান দুঃখ প্রকাশ করে আরেকটি পোস্ট দিতে। মিলি তার অনুরোধ রাখেন।

কিন্তু, তিন থেকে চার দিন পর একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার খবরে অবন্তিকা বড়ালের বদলে তার ছবি প্রচার করে। এই খবর আবার তিনি পান তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে।

এ পরিস্থিতিতে লীনা গত ২২ জানুয়ারি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ডায়েরিতে তিনি লেখেন, ‘বিডিনিউজ ২৪-এ আমি সাহিত্য পাতায় নিয়মিতভাবে লেখালেখি করি। সেখান থেকে আমার ছবি কপি করে বিভিন্ন মিডিয়ায় ব্যবহার করে আমার মান ক্ষুণ্ন করছে। তারা ভবিষ্যতে আমাকে আরও ক্ষতির মুখোমুখি করতে পারে—আশঙ্কায় বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য ডায়েরি করা প্রয়োজন বলে অনুভব করছি।’

দিন পনেরো আগে আবারও একটি দৈনিকে অবন্তিকা বড়ালের ছবি হিসেবে তার ছবি ব্যবহার হয়। তার ভাই এই খবর জানান তাকে। যে পত্রিকায় ভুলটি হলো, সে পত্রিকাতেও নিয়মিত লেখেন লীনা। প্রথমেই সাহিত্য সম্পাদককে ফোন করেন তিনি। পরে সংবাদ ব্যবস্থাপকেরা তাঁর ছবি সরিয়ে নেন।

এ বিষয়ে লীনা বলেন, ‘এই সমস্যা আর সহ্য হচ্ছে না। একটা মিথ্যা বারবার বলতে বলতে সত্য বলে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যায়। ছবির বিভ্রাটে নানামুখী সংকটে পড়ে গেছি আমি। আমি এবার মুক্তি চাই।’