হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে ৩১৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে বিদায় নিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবং সৌম্য সরকার।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২২। দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো ব্যাট করা তামিম এদিন ৯ বল খেলে ১ রান করতে পারেন। সৌম্য ১ করেন ৬ বল খেলে।
ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১৮ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। ডেভন কনওয়ে ১২৬ ও ড্যারেল মিচেল অপরাজিত ১০০ রানে টাইগারদের লক্ষ্যটা তিনশ পেরিয়ে নেন। দুজনেরই এটি প্রথম ওয়ানডে শতক।
শুক্রবার টানা তৃতীয় ওয়ানডেতে টসে হেরেছেন তামিম। গত দুম্যাচে ব্যাটে ডাক পড়লেও এবার শুরুতে বোলিংয়ের আমন্ত্রণ পান। উইকেটে এসে পেস আক্রমণে দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। সঙ্গে সেই ক্যাচ হাতছাড়া, রানআউটের সুযোগ হাতছাড়া ও বাজে ফিল্ডিং ছিল।
এক হেনরি নিকোলসকেই দুবার রানআউট করতে পারেনি বাংলাদেশ।
নিকোলস (১৮) অবশ্য বিপদের কারণ হতে পারেননি। লিটনের ক্যাচ বানিয়ে সাফল্য আনার শুরুটা করেন তাসকিন। ড্রাইভ করতে গিয়ে কিউই ওপেনার গালিতে ক্যাচ দিলে ভাঙে ৪৪ রানের উদ্বোধনী জুটি।
তারপর রুবেলের জোড়া ধাক্কা। আরেক ওপেনার গাপটিল (২৬) ও একাদশে ফেরা অভিজ্ঞ টেলরকে (৭) সাজঘরের পথ দেখান টাইগার পেসার। স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মিডঅনে লিটনের দ্বিতীয় ক্যাচ হন গাপটিল। টেলরের ক্যাচ ছেড়েছিলেন মোস্তাফিজ। খানিক পরে স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে মুশফিকের গ্লাভসে জমা পড়েন তিনি।
গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান টম ল্যাথাম উইকেটে জেঁকে বসার আগেই মিরাজের উড়ন্ত ক্যাচে পরিণত হন। ৭ রান করা কিউই অধিনায়কের উইকেট তুলেছেন সৌম্য সরকার।
এরপর ড্যারেল মিচেলকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন ডেভন কনওয়ে। দুজনে ১৫৯ রানের জুটি গড়েছেন। দুজনেই তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি।
রুবেল ৩ উইকেট নিতে খরচ করেন ৭০ রান। তাসকিনের ১ উইকেট নিতে খরচ ৫২ রান। ৮৭ রান দিয়ে উইকেটহীন মোস্তাফিজ। সৌম্য ৮ ওভারে ৩৭ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট।