উইঘুর প্রসঙ্গে পাল্টা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যুক্তরাজ্যের ওপর বদলা চীনের

উইঘুর মুসলমানদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে গত সোমবার চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাজ্য। ধারণা করা হচ্ছে, এর বদলা হিসেবে পাঁচ সংসদ সদস্যসহ যুক্তরাজ্যের নয় নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটি।

তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ এনেছে চীন।  

এক টুইট বার্তায় এই নয় নাগরিকের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

ব্রিটেনের এই নয় নাগরিক বরাবরই চীনের মানবাধিকারের লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তারা এ বিষয়ে একাধিক কমিটিতে কাজ করছেন।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, চীন যদি অভিযোগ অস্বীকার করতে চায়, তাদের উচিত শিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের প্রবেশে অনুমতি দেওয়া।

নিষেধাজ্ঞায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যে সাবেক কনজারভেটিভ নেতা স্যার ইয়ান ডানকান স্মিথ। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা ‘সম্মানসূচক ব্যাজের মতো’ পরিধান করবেন।

শিনজিয়াংয়ের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের শিবিরগুলোতে চীন উইঘুরদের আটকে রেখে নির্যাতন, জোরপূর্বক শ্রম ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে বারবার। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে চীন একে পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।

নিষেধাজ্ঞা থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে আরও আছে টরি এমপি নুসরাত গানি ও টম ট্যুগেনডাট। আছেন কয়েকজন গবেষকও। নিষেধাজ্ঞার ফলে তারা চীনে প্রবেশ করতে পারবেন না।

শুধু যুক্তরাজ্যই নয়, শিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে গত সোমবার দেশটির কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও কানাডা।