হবিগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনায় দায়ের মামলায় ছয় নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন আরাফাত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আসামিরা হলেন জি কে গফ্ফার, মো. জুয়েল মিয়া, মো. নিজাম উদ্দিন, মো.আবু সালেহ মো. গিয়াস উদ্দিন ও শিমুল হাসান।
শনিবার বেলা ১টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শুক্রবার চট্রগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় পুলিশ তাদের বাধা দিতে গেলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা ইটপাটকেল মারে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় পুলিশসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২১ রাউন্ড টিয়ার সেল ও ১৩২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জিকে গউছের ছেলে, ছোট ভাই, ভাতিজাসহ ১১ জনকে আটক করে।
এ ঘটনায় সদর মডেল থানার এস আই হারুন আল রশিদ বাদী যুবদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলিয়াসসহ ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৩০০/৪০০ জনকে আসামি করে মামলা দয়ের করে।
পরে জি কে গউসের ছেলে ব্যারিস্টার প্রীতম ও ভাতিজাসহ ৪ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়। অপরদিকে ছয়জনকে উল্লেখিত মামলায় ও অপর একজন ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আবুল ফজল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।