২৬ বছর পর রায়

জাপা নেতা হত্যায় একজনের মৃত্যুদন্ড

খুলনায় সাবেক চেম্বার সভাপতি ও মহানগর জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল কাশেম হত্যা মামলায় পলাতক আসামি তারিক হোসেনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত।

হত্যাকাণ্ডের ২৬ বছর পর গত সোমবার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় দেন। অন্য আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ২৫ এপ্রিল খুলনা থানার অদূরে বেসিক ব্যাংকের সামনে শেখ আবুল কাশেম ও তার গাড়িচালক মিকাঈল হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আবুল কাশেমের ভাতিজি জামাই মো. আলমগীর হোসেন খুলনা সদর থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে সিআইডির তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার ইকবাল ১৯৯৬ সালের ৫ মে আদালতে ১০ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন বর্তমান খুলনা চেম্বার সভাপতি কাজী আমিনুল হক, সৈয়দ মনিরুল ইসলাম (মৃত), তরিকুল হুদা টপি, জাতীয় পার্টি নেতা আবদুল গফফার বিশ্বাস, ইকতিয়ার উদ্দিন বাবলু (মৃত), ওসিকুর রহমান, মুশফিকুর রহমান, মফিজুর রহমান, মিল্টন ও তারেক হোসেন।

১৯৯৭ সালের ৮ জুন বিচারকাজ শুরুর প্রথম দিনে অভিযোগপত্র থেকে কাজী আমিনুল হকের নাম বাদ দেওয়া হয়। বাদীপক্ষ এর বিরুদ্ধে নারাজি দিয়ে আবেদন করলে উচ্চ আদালত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে। কাজী আমিনুলকে বাদ দিয়েই বিচারকাজ চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর আরেক আসামি সৈয়দ মনিরুল ইসলাম নিজের অংশ বাদ রেখে বিচার চালানোর আবেদন করলে উচ্চ আদালত বিচারকাজ স্থগিত করে।