জো বাইডেনের পোষ্য জার্মান শেফার্ড মেজর বারবার খবরের শিরোনাম হয়েছে। মূলত কুকুরটি উগ্র মেজাজের কারণে বেশি পরিচিতি পেয়েছে। আর সেই কারণে বাইডেন দম্পতির প্রিয় কুকুরটিকে আপাতত হোয়াইট হাউস ছাড়তে হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ভবনে আসার পর দুজনকে কামড়ে দেয় মেজর। প্রথম কামড়ের পর তাকে বাইডেনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছিল। তাতেও লাভ হয়নি। আবার কামড়েছে একজনকে।
এর জের ধরে তাকে হোয়াইট হাউস ছেড়ে যেতে হচ্ছে বাড়তি প্রশিক্ষণের জন্য। আপাতত আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রশিক্ষণ চলবে।
ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মেজরের স্বভাব বদলের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
হোয়াইট হাউসে প্রচুর মানুষ সবসময় থাকেন। সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ভিড় করে আছেন। তারা প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির সঙ্গে থাকেন। তার ওপর প্রচুর কর্মী। ফলে নতুন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে অসুবিধা হচ্ছে মেজরের। বাইডেনের আরও একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর আছে, তার নাম চ্যাম্প। ১২ বছর বয়সী চ্যাম্প হোয়াইট হাউসের পরিবেশের সঙ্গে দিব্যি মানিয়ে নিয়েছে। যত ঝামেলা মেজরকে নিয়ে।
গত মাসে মেজর হাঁটতে যাওয়ার সময় একজনকে আঁচড়ে-কামড়ে দিয়েছিল। তার আগে সিক্রেট সার্ভিসের একজন এজেন্টকে কামড় দেয়।
ন্যাশনাল পেটস ডে-তে জিল বাইডেন দুই কুকুরের ছবি দিয়ে লিখেছিলেন, “দুজনকে খুব ভালোবাসি।” সেই ভালোবাসার পোষ্যকে আপাতত দূরে রাখতে হচ্ছে তাকে।
হোয়াইট হাউসে নিজের পোষ্যদের নিয়ে যাওয়ার একটা রীতি আছে আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে। ওবামার দুইটি কুকুর ছিল, জর্জ বুশের ছিল তিনটি কুকুর।