পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন না থাকায় প্রতি বছরই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মানুষের কোটি কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে যাচ্ছে।
উপজেলা শহরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় শহরসহ প্রত্যন্ত এলাকার হাটবাজারগুলোতে দোকানপাট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শহরের থানা ব্রিজ, নসিব সিনেমা চত্বর, লেবুখালীর বিশ্ববিদ্যালয় স্কয়ার ও আংগারিয়া বন্দরে পেট্রল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিন ও ফার্নেস অয়েলের বেশ কয়েকটি অস্থায়ী গুদাম ও বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব স্থাপনায় যে কোনো মুহূর্তে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটার ঝুঁকি রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হয়নি। ফলে এখানকার সব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
উপজেলা শহর ও প্রত্যন্ত এলাকার হাট-বাজারগুলোর কোথাও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে ১৫ কিলোমিটার দূরের জেলা শহরের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওপর ভরসা করতে হয়। জেলা শহর থেকে দমকল বাহিনীর গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সবকিছু আগুনে পুড়ে যায়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পিরতলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে। ইতিমধ্যে দুটি জায়গার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। জায়গা নির্ধারণ সম্পন্ন হলে অধিগ্রহণ করে নির্মাণকাজ শুরু হবে।