মানবকোষ সম্পৃক্ত করে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো সফলতার সঙ্গে বানরের শঙ্কর ভ্রূণ তৈরি করেছেন।
সেল-ওয়ানে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দলটি হিউম্যান সিস্টেম সেলে বানরের ভ্রূণ ইনজেক্ট করে উন্নতি দেখতে থাকেন।
বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, মানুষ এবং বানরের কোষ ভাগ হয়ে একটি ডিশে একসঙ্গে বেড়ে উঠছে। গর্ভনিষেকের ১৯ দিন পর কমপক্ষে তিনটি ভ্রূণ বেঁচে থাকতে দেখেন তারা।
গবেষকেরা আশা করছেন, এই জাদুকরী বায়োটেকনোলজি দুটি লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে। একটি হল, ভ্রুণতাত্ত্বিক বিকাশের জটিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করা, যা অবশেষে মানুষের কিছু জন্মগত রোগের চিকিৎসায় সফলতা এনে দেবে।
অন্যটি হল আশা করা যায় যে, শঙ্কর প্রাণীগুলি একদিন অসুস্থ মানুষের মধ্যে প্রতিস্থাপনের জন্য অঙ্গ সরবরাহের একটি উৎস হয়ে উঠবে।
এর আগে চীনে এই ধরনের গবেষণা করা হয়। চীনের গবেষকেরা দুই বছর আগে বলেন, বানরের ভ্রূণে মানব দেহের যেকোনো টিস্যু তৈরি করতে সক্ষম হবে এই হাইব্রিডির মধ্য দিয়ে।
তবে এই পদ্ধতির মধ্যে বানরের অঙ্গগুলো বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এমনকি জিনগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে প্রথমে ভ্রূণকে জিনগতভাবে সংশোধন করা হয়েছিল। প্রাথমিক অবস্থায় এই পদ্ধতিকে মানব মস্তিষ্কের জন্য উদ্বেগজনকও বলা হচ্ছে।
এর আগে ঝং ঝং এবং হুয়া হুয়া নামের দুটি ক্লোন বানরের জন্ম দিয়েছিল চীন। যার মধ্যে ক্যান্সার, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জিনগত ত্রুটির গবেষণা ও নিরাময়ের কাজে লম্বা লেজওয়ালা এই বিশেষ ধরনের ক্লোন বানরকে কাজে লাগানোর কথা বলা হচ্ছে।