সারা দেশের বিচারিক আদালতে গত আট কার্য দিবসে ভার্চুয়াল শুনানি শেষে ১৫ হাজার ২১৭ জন হাজতি আসামি জামিন পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬৭ জন শিশু রয়েছে। গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানান সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে মানুষের চলাচল ও কার্যক্রমের ওপর সরকারঘোষিত বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতে ৫ এপ্রিল থেকে বন্ধ রয়েছে বিচারিক আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ১২ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় সারা দেশে অধঃস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তের শুনানি হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১২ এপ্রিল আদালতগুলোতে ২ হাজার ৪৩৩টি জামিনের দরখাস্ত নিষ্পত্তি করে ১ হাজার ৬০৪, ১৩ এপ্রিল ৫ হাজার ১১০টি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করে ৩ হাজার ২৪০, ১৫ এপ্রিল ৩ হাজার ৯৮৬টি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করে ২ হাজার ৩৬০, ১৮ এপ্রিল ৩ হাজার ৩১৩টি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করে ১ হাজার ৮৪২, ১৯ এপ্রিল ৩ হাজার ১৩৮টি জামিনের দরখাস্ত নিষ্পত্তি করে ১ হাজার ৬৩৫, ২০ এপ্রিল ২ হাজার ৯৭৩টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ১ হাজার ৫৭৬, ২১ এপ্রিল ২ হাজার ৮৩১টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ১ হাজার ৩৪৯ ও ২২ এপ্রিল ৩ হাজার ৩২টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ১ হাজার ৫৯২ জন হাজতি জামিন পান। এ নিয়ে আট কার্য দিবসে মোট ২৬ হাজার ৮৪৮টি মামলায় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে ১৫ হাজার ২১৭ জন হাজতি আসামি জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন।