অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ভারতীয় তরুণী আটক

অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করায় নীলফামারীতে ভারতীয় এক তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর ৫টার দিকে জেলা সদরের কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে আটক করা হয় তাকে। নাম মিতালী দাস (২১)। বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির মালবাজার থানার নেতাজী কলোনি এলাকায়।

তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে নীলফামারী থানায় গতকাল সকালে ‘দি কন্ট্রোল অব এন্ট্রি অ্যাক্ট’-এর ৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. আবদুর রউপ।

নীলফামারী সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহমুদ উন নবী জানান, ভারতীয় তরুণী মিতালী দাসের সঙ্গে প্রায় ৬ মাস পূর্বে ফেইসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয় নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামের পূর্ণিমা রায় লিপি (১৮) এবং ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার শীবদীঘি গ্রামের রেজু মিয়ার মেয়ে শ্রাবণী আক্তারের (১৮) সঙ্গে। এরই মধ্যে গত ৮ মার্চ পূর্ণিমা রায় লিপির বিয়ের দিন ঠিক হলে বিবাহের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য মিতালীকে অনুরোধ জানায় লিপি। ওই অনুরোধে গত ৬ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মিতালী। এরপর পূর্ণিমা রায় লিপির বাড়িতে ৭ ও ৮ মার্চ অবস্থান করে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ৯ মার্চ অপর বান্ধবী শ্রাবণী আক্তারের বাড়িতে চলে যায় মিতালী দাস। সেখানে কয়েক দিন অবস্থান শেষে মিতালী দাস ঢাকার হেমায়েতপুরে কাকা রবিন্দ্র দাস ও গোবিন্দ দাসের বাড়িতে যান। এরপর থেকে সে হেমায়েতপুর এবং রানীশংকৈলে অবস্থান করে প্রায় সময় নীলফামারী শহরে এসে লিপির সঙ্গে দেখা করত। গত ২৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রানীশংকৈল থেকে মিতালী পুনরায় লিপির বাড়িতে আসে। এদিকে করোনার মহামারীতে ভারতীয় নাগরিক এলাকায় আসায় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।