পোশাক কারখানায় ঈদ ছুটি ৩ দিন

ঈদে যাতে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা গ্রামে না যেতে পারেন সেজন্য তিন দিন উৎসব ছুটি পাবেন। কেউ যাতে বাড়তি ছুটি না দেন সেজন্য শিগগিরই মালিকদের জানিয়ে দেবে দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘দুর্বলতায়’ কোনো শ্রমিক যদি এরপরও গ্রামে যান তার দায় নেবে না সংগঠন দুটি।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান গতকাল সোমবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাই। এটি যাতে বাস্তবায়ন হয় সেজন্যই আমরা তিন দিন ছুটি নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমরা শ্রমিকদেরও অনুরোধ করব, যাতে তারা কর্মস্থলেই থাকে। মালিকদেরও এ বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

গত বছর করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ঈদে গ্রামে যাওয়া রোধ করতে চেয়েছিল সরকার। এজন্য সব ধরনের দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ রাখা হয়। পাশাপাশি রাজধানী থেকে এবং এক জেলা থেকে অন্য জেলায় চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এরপরও পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বড় একটি অংশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে গ্রামে চলে যায়। ফেরার পথে অনেকেরই কষ্ট করে ফিরতে হয়। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও হয়। এবার এমন কিছু ঘটলে এর দায় কোনোভাবেই কারখানা মালিকরা নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সংগঠন দুটি।

বিকেএমইএর সহসভাপতি ফজলে শামীম এহসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনেক কারখানাই বাড়তি দুই-তিন দিন ছুটি দেয়। এবারও দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ছুটি কমিয়ে দিয়েছি। এরপরও তারা যদি গ্রামে যায় এবং সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে তাহলে এর দায় আমরা কোনোভাবেই নেব না। যাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা যাবে, দায়ও তাদের নিতে হবে।’