করোনাভাইরাসের ‘ভারতীয়’ নাম নিয়ে আপত্তি দিল্লির

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে ‘চীনা ভাইরাস’ নাম প্রায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছিল। এবার ভারত পড়েছে একই বিপাকে। বি.১.৬১৭ স্ট্রেইনকে দেশে দেশে ‘ভারতীয় ধরন’ বলে লেখা হচ্ছে, ডাকা হচ্ছে। এতে আপত্তি জানিয়েছে দেশটির নীতি-নির্ধারকেরা।

ভারতের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতিতে ভারতীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। এমনকি কোনো নির্দিষ্ট প্রজাতির ভাইরাসকে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নামে চিহ্নিত করার পক্ষপাতী নয় তারা।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মঙ্গলবার জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসে ভারতে প্রথম পাওয়া যায় করোনাভাইরাসের এই প্রজাতি। ইতিমধ্যে তা পৌঁছে গেছে বিশ্বের অন্তত ৪৪টি দেশে।

ডব্লিউএইচও’র পক্ষ থেকে বুধবার ‘ভারতীয় ভাইরাস’ বিতর্ক নিয়ে একটি টুইট করা হয়েছে। তাতে লেখা, ‘আমরা কখনোই কোনো ভাইরাসের নাম দেশের নামে করি না। আমরা সব সময়ই ভাইরাসকে বিজ্ঞানভিত্তিক নামে চিহ্নিত করি এবং ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে সবাইকে সেই পদ্ধতি অনুসরণের সুপারিশ করি।’

দুই দফার জিনগত চরিত্র বদলের কারণে বি.১.৬১৭ ভাইরাসটিকে ‘দ্বি-পরিব্যক্ত’ (ডাবল মিউট্যান্ট) হিসেবে চিহ্নিত করেছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির মুখপাত্র মারিয়া ভন কারখোভ কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতির সন্ধানের উদ্দেশ্যে এই প্রজাতির ভাইরাসকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অফ ইন্টারেস্ট’-এর তালিকাভুক্ত করার কথা জানিয়েছিলেন।