প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার দাবি জানিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ বলেছেন, ‘আমলাদের মিষ্টি কথায় ভুলবেন না। অবিলম্বে রোজিনা ইসলামকে মুক্তি দিন। যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী তার সঙ্গে অন্যায় করেছেন, তাদের অবিলম্বে জেলে পাঠান। রোজিনার পাশে আমরা সবাই আছি।’
রোজিনা ইসলামকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও তার মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ যুব, ছাত্র ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ আয়োজিত নাগরিক সভায় তিনি এসব বলেন।
সভা সঞ্চালনা করেন যুব অধিকার পরিষদের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান। ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব মঞ্জুর মোর্শেদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক আবদুর রহমান, সদস্যসচিব মো. আরিফ হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারছেন না। তিনি অন্ধকার ঘরে বিড়াল খুঁজে বেড়াচ্ছেন। আমলারা তাকে অন্ধ করে রেখেছে। এ কারণে একের পর এক ভুল করে তিনি অন্যায় করছেন। ঈদ এমন একটি বিষয়, যখন সাধারণ মানুষ বছরে একবার বা দুবার তাদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে দেখা করতে যায়। কারও কথা না ভেবে আমলাদের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী মানুষের বাড়ি যাওয়া নাকচ করেছেন। সে জন্য আন্তজেলা বাস বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু আমলাদের একাধিক গাড়ি এখানে চলেছে। চিন্তা ছাড়া যানবাহন বন্ধ করায় জনগণের অন্তত ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর দায়িত্ব কে নেবে?’ নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদ করে যেসব ছাত্র জেলে গেছেন তাদের মুক্তিও দাবি করেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
ডাকসুর সাবেক ভিপি এবং ছাত্র, যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক নুরুল হক নুর বলেন, ‘অন্য সাংবাদিকদের মনে ভয় ঢোকাতেই রোজিনাকে হেনস্তার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’