প্রতিরোধের অংশ হিসেবেই রকেট ছোড়ে ফিলিস্তিনিরা: অরুন্ধতী রয়, নয়নতারা সেহগাল

ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অংশ হিসেবেই ফিলিস্তিন থেকে রকেট হামলা চালানো হয়। আর ফিলিস্তিনিদের এই ‘রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধের প্রতি সমর্থন রয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও। প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও অ্যাকটিভিস্ট অরুন্ধতী রায় এবং নয়নতারা সেহগালের নেতৃত্বে ভারতীয় লেখক-শিল্পীদের একটি গ্রুপ এই ঘোষণা দিয়েছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি শিশুহত্যা ও ফিলিস্তিনের ভূমি দখলের জন্য ইসরায়েলের নিন্দা জানান তারা। এতে বলা হয়, গাজার ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। অথচ এরপর যে নির্মমতা শুরু হয়েছে, রকেটগুলো সেগুলো শুরু করেনি, ওই রকেট হামলা দিয়ে সেটা ব্যাখ্যাও করা যায় না। ওই রকেটগুলো ছোড়া হয়েছিল প্রতিরোধের অংশ হিসেবে, ফিলিস্তিনের যে প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আইনেই বৈধ, যা কিনা এক অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে। এর জবাবে ইসরায়েল নগ্ন বলপ্রয়োগের নীতি নিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।

বিবৃতিতে মিসরীয় বিমানবাহিনীর প্রতি গাজা ভূখণ্ডের ওপর নো-ফ্লাই জোন আরোপের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় আরব বিশ্বের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বি-উপনিবেশ প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে ১৯৬০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল, সেটার কথাও মনে করিয়ে দেয়া হয় এই বিবৃতিতে।

অরুন্ধতী রায় এবং নয়নতারা সেহগাল ছাড়াও এই গ্রুপে আরও রয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেতা রত্না শাহ পাঠক, নাসিরুদ্দিন শাহ, ঔপন্যাসিক গীতা হরিহরণ, অর্থনীতিবিদ প্রভাত পাটনায়েক প্রমুখ। গাজার চলমান সহিংসতা যেন ফিলিস্তিনিদের সম্মান এবং প্রতিরোধের অধিকার কেড়ে নেওয়ার অজুহাত না হয় বলে আহ্বান জানান তারা।

সূত্র: দি হিন্দু।