কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাব বিবেচনা করে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়নসহ চারটি সুপারিশ প্রস্তাব করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পের টেকসইকরণের দিক বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলোর সুপারিশ করেন তিনি।
গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে অনুষ্ঠিত পিজিএ (প্রেসিডেন্ট অব দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলি- ইউনাইটেড ন্যাশনস) এর ‘সংস্কৃতি ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ভিডিও বার্তায় সংযুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।
কে এম খালিদ যেসব অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলোর সুপারিশ করেন তার মধ্যে আরও রয়েছে ডিজিটাল অবকাঠামোয় বিনিয়োগের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল ক্ষেত্রে অগ্রগতি বৃদ্ধি করা, কপিরাইট নিশ্চিতকরণ এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কপিরাইট স্বত্বাধিকারী ও শিল্পীদের কমিশন নিশ্চিতকরণ, পুস্তক প্রকাশকসহ শিল্পী, সাংস্কৃতিক পেশাজীবী ও সংগঠনগুলোকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য প্রণোদনা বা আর্থিক সহায়তা প্রদান।
নিউইয়র্ক সময় ২১ মে বিকাল ৩:২০ থেকে বিকাল ৪:২০ (বাংলাদেশ সময় ২২মে রাত ১:২০ থেকে রাত ২:২০) পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এক ঘণ্টা মেয়াদি প্যানেল-২ এর আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল শিল্পী, সাংস্কৃতিক পেশাজীবী ও সংগঠনগুলোর অবস্থা : কভিড-১৯ মহামারী থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য উপযুক্ত ডিজিটাল রূপান্তর’।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নোভেল করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করেছে।