সীমান্তবর্তী ত্রিপুরায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগীর সন্ধান, আতঙ্ক আখাউড়ায়

সীমান্তবর্তী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমিত রোগীর সন্ধান পাওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শঙ্কা তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

এ ব্যাপারে রবিবার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুর রহমান বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ছড়ালে আমাদের জন্য ঝুঁকি আছে। যেহেতু আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরা হয়ে লোকজন দেশে প্রবেশ করছে তাই বাংলাদেশেও এর সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

শনিবার ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদ ও দৈনিক দেশের কথা পত্রিকায় বলা হয়, গত শুক্রবার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমিত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ওই নারীর বয়স ৬৮ বছর। তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার আইএলএস হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ ওই দিন সন্ধ্যায় সেখানকার সাংবাদিকদের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

খবরে বলা হয়, করোনা মহামারির মধ্যে নতুন করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগীর সন্ধান পাওয়ায় রাজ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত দৈনিকগুলো সূত্রে জানা যায়, ত্রিপুরায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৪৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৫৪ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৩ জন আক্রান্ত হন ও দুজন মারা যান। বর্তমান সময়ে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হওয়ায় সেখানে আতঙ্ক বেড়েছে। রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় ২৪ ঘণ্টা কারফিউ জারি করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকায় রাতে কারফিউ চলছে।

উল্লেখ্য, আখাউড়ার স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশি যাত্রী আসা অব্যাহত রয়েছে। রবিবার তিনটা পর্যন্ত আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ৯৯৫ জন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। এর মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনে চাকরি করেন এমন কয়েকজন রয়েছেন। ভারত ফেরতদের জেলার বিভিন্ন হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। এদের মধ্যে ৬ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন।