ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন খাদ্য সহায়তা চেয়ে দণ্ডিত ফরিদ আহমেদ

ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জে খাদ্য সহায়তার জন্য ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে দণ্ডিত ফরিদ আহমেদ। গতকাল রবিবার জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) ফরিদ আহমেদের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করে আগামী বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রাশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ্।

গত বৃহস্পতিবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চেয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ নাগবাড়ির ফরিদ আহমেদ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শোনেন, ফরিদের একটি চারতলা বাড়ি আছে এবং তিনি হোসিয়ারি কারখানার মালিক। তখন তিনি প্রশাসনকে ‘হয়রানির’ অপরাধে ফরিদ আহমেদকে করোনাভাইরাস সংকটে অসহায়দের জন্য ১০০ প্যাকেট খাদ্য সহায়তা দিতে বলেন জরিমানা হিসেবে। পরে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর গহনা বন্ধক রেখে এর ব্যবস্থা করেন।

ফরিদ আহমেদ জানান, খাদ্য সহায়তা দরকার ছিল বলেই ফোন করেছিলেন। তবে প্রশাসনকে কেউ ভুল তথ্য দিয়েছে। যে বাড়িটি তার বলা হচ্ছে সেটির মালিক তারা সাত ভাইবোন।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ্ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে ৩৩৩ জাতীয় হট লাইনে কল দিয়ে খাদ্য সহায়তা চাওয়া ফরিদ আহমেদ চারতলা বাড়ির মাত্র তিনটি রুমের মালিক। খাদ্যসামগ্রী বিতরণে যে টাকা খরচ হয়েছে তা ফেরত দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।