প্রতিষ্ঠা লাভ করতে এবং পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে হলে প্রথমেই নিজ নিজ ক্যারিয়ার গঠনে যতœবান হতে হবে। ক্যারিয়ার গঠন করতে বিশেষ কিছু গুণ ও দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। এসব গুণের একটি হলো ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। লিখেছেন বিপুল জামান
দৃষ্টিভঙ্গির অর্থ হচ্ছে মনোভাব, মানসিকতা বা চিন্তার ধরন। অর্থাৎ একটি বিষয়কে কে কীভাবে দেখছে বা কীভাবে নিচ্ছে সেটিই হলো তার দৃষ্টিভঙ্গি। কোনো বিষয়কে ইতিবাচক মানসিকতার মাধ্যমে গ্রহণ করাই হচ্ছে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।
সুসম্পর্ক
ব্যক্তিগত জীবনে বা পেশাগত কারণে মানুষকে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করলে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করা অনেক সহজ হয়।
মানসিক চাপ হ্রাস
ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক সময় কাউকে কাউকে বেশ চিন্তিত দেখা যায়, যা তার মানসিক অবস্থার ওপর অনেক চাপ তৈরি করে। ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করলে মনের ওপর থেকে অনেক চাপ কমে যায়। ফলে মনোযোগ ও দক্ষতার সঙ্গে যেকোনো কাজ সম্পাদন করা যায়।
বিপদ থেকে রক্ষা
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে সহকর্মীদের সঙ্গে যে সুসম্পর্ক তৈরি হয় তার ফলে অনেক সময় অনাকাক্সিক্ষত বিপদ থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যায়, যা ক্যারিয়ার গঠনে দারুণ সহায়ক।
উৎসাহ ও মনোযোগ
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাবে কাজে উৎসাহ ও মনোযোগ বাড়ে। যারা এ ধরনের মনোভাব পোষণ করে তারা কোনো কাজকে হীন মনে করে না এবং কাজ করার প্রতি তাদের কোনো অবহেলা থাকে না। ফলে তারা ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে কাজ করতে পারে।
সমস্যার সমাধান
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করলে যেকোনো সমস্যা সহজেই সমাধান করা যায়। অনেকে আছে যারা নেতিবাচক মনোভাবের কারণে সমস্যা সমাধানের পথে না গিয়ে সেটিকে আরও জটিল করে তোলে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যারা সমস্যা সমাধান করতে চায় তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য থাকে সমস্যাটির সমাধান এবং সহজেই তারা তা করতে পারে।