করোনা সংক্রমণ রোধে হিলিতে আমদানি অর্ধেকের নিচে

সম্প্রতি হঠাৎ করে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ রোধে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মাঝে বিরাজমান পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের ভেতরে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ও বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের জীবিকা চালু রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুদেশের মাঝে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রয়েছে।

তবে পূর্বের তুলনায় বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আমদানি রপ্তানিকারক, সিআ্যন্ডএফএজেন্ট, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সকলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে পূর্বে যেখানে বন্দর দিয়ে ১৮০ থেকে ২শ পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করত এখন সেখানে মাত্র ৮০টি পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত করা হচ্ছে।

প্রতিদিন যেসব ট্রাক পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করছে সেগুলো খালি করে ওই দিনই ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও বন্দরের ভেতরে ভারতীয় ট্রাক চালকদের থাকা খাওয়ার আলাদা জায়গা, তাদের টয়লেট, বাথরুম সবকিছু আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা কর্মী দ্বারা নিয়মিত তাদের উপর নজরদারি করা হচ্ছে।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার কামরুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুদেশের মাঝে পণ্য আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমসের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তবে করোনা সংক্রমণ রোধে বন্দর দিয়ে পূর্বের চেয়ে কম পরিমাণে পণ্য আমদানি রপ্তানি হওয়ার কারণে আগের তুলনায় রাজস্ব আহরণ কিছুটা কম হবে। বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানির পরিমাণ বাড়লে রাজস্ব আহরণ বাড়বে বলেও জানান তিনি।