আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই কালেভদ্রে হ্যাটট্রিকের উল্লাসে মাতেন বোলাররা। এক হাজারের বেশি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন ঘটনা হয়েছে মাত্র ১৪ বার। টেস্টে দুই হাজারের বেশি ম্যাচে হ্যাটট্রিক আছে ৪৫টি আর ওয়ানডেতে প্রায় ৪৩০০ ম্যাচে হ্যাটট্রিক হয়েছে ৪৯টি। ঘরোয়া ক্রিকেটে এই সংখ্যাটা ঢের বেশি কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটে কদাচিৎ। তারই একটি হয়ে গেল গতকাল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে। ব্রাদার্সের এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার লিজেন্ডস অর রূপগঞ্জের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ২১ রানে ৪ উইকেট নেন। মিরপুরে সকালের ম্যাচে ইনিংসের শেষ দিকে ১৮তম ওভারের শেষ দুই বলে মুক্তার আলি ও সোহাগ গাজীকে আউট করেন বাবু। শেষে ওভারের প্রথম বলেই নাবিল সামাদকে ফিরয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। তিন উইকেটই এসেছে ক্যাচ আউটে। ঘরোয়া টি-২০তে এটি ষষ্ঠ হ্যাটট্রিক। এর আগের পাঁচ ঘটনার দুটিতে জড়িয়ে আল আমিন সিনিয়রের নাম। দেশের টি-টোয়েন্টি’র শুরুর দিকে, তিনি দুবার ২০১৩ ও ২০১৫ সালে দুটি হ্যাটট্রিক করেন। চার বছর পর ২০১৯ সালে হয় দুটি হ্যাটট্রিক। আলিস আল ইসলাম করেন বিপিএলে। আর প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে মানিক খান করেন প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে। শেষ হ্যাটট্রিক আসে গত ডিসেম্বরে। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টিতে এই কীর্তি দেখান কামরুল ইসলাম রাব্বি।