হিলি স্থলবন্দর

আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক

পেঁয়াজসহ বেশ কিছু কাঁচামাল আটকা থাকায় ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দেওয়া শর্ত মেনে নেওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক গতিতে শুরু হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মাঝে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, মঙ্গলবার রাতে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দেওয়া এক পত্রের ভিত্তিতে আমরা হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা জরুরি বৈঠকে বসি। বৈঠকে তাদের দেওয়া চিঠির বিষয়, আমাদের দেওয়া চিঠি ও করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ে আলোচনা হয়। পেঁয়াজসহ অন্যান্য কাঁচামাল সময়মতো দেশে ঢুকতে না পারলে পণ্য পচে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। বিষয়টি বিবেচনা করে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের যে দাবি ছিল নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সব ধরনের পণ্য নিতে হবে, সেটি আমরা আপাতত মেনে নিয়েছি। বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি চলবে। এ ছাড়া আগামী শুক্রবার সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মাঝে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেই বৈঠকে পরবর্তী বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি হিলিতে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সীমিত পরিসরে বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি চালু ও ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকচালক ও সহকারীদের ৮ জুন থেকে টিকা গ্রহণের কার্ড ছাড়া দেশে প্রবেশ করতে না দেওয়ার কথা জানিয়ে ৬ জুন ভারতীয় ব্যবসায়ীদের পত্র দেয় বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। সেই পত্রের আলোকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দেওয়া শর্ত মানতে নারাজ জানিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পত্র দেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।