নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শনিবার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফখরুল ইসলাম সবুজকে (৬৬) প্রধান আসামি করে ১৬৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০০/১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে, মামলায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, শনিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার ঘটনায় তার অনুসারীরা চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
এ সময় তাদের ছোড়া ইটের আঘাতে চার পুলিশ সদস্য আহত এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। তবে, নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানি না হয় সে বিষয়েও সতর্ক রয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ব্যক্তিগত গাড়িতে ঢাকায় যাওয়ার পথে বসুরহাটে হামলার শিকার হন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল।
এ হামলার জন্য বসুরহাট পৌর সভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীদেরকে অভিযুক্ত করে উপজেলা আওয়ামী লীগ ওইদিন দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা কোম্পানীগঞ্জে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
দুপুর একটার দিকে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে সড়কে অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে শটগান থেকে ফাঁকা গুলি ও লাঠিপেটা করে পুলিশ।
এ সময় বাদলের ৪ অনুসারী নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয় এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত)সহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন।