এরিকসেনকে জয় উপহার দিতে চায় ডেনমার্ক

সামনে বেলজিয়াম, এই ইউরোর অন্যতম ফেভারিট। বি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে রাশিয়াকে তাদের মাঠেই ৩-০তে হারিয়ে এসেছে র‌্যাংকিংসেরা দলটি। বেলজিয়াম স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু আছেন ক্যারিয়ারসেরা ফর্মে। তবুও জিততে হবে ডেনমার্ককে, জিততে হবে ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের জন্য। ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হঠাৎ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মাঠে পড়ে যান। সেই থেকে হাসপাতালে এই প্লে-মেকার। আজ প্রবল প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এই এরিকসেনের মুখে হাসি ফোটাতে চায় ডেনিশরা।

রাত ১০টার ম্যাচে সতীর্থদের মতো ঘরের মাঠে জয়ের জন্য ঝাঁপাতেন এরিকসেন। কিন্তু ইন্তার মিলান তারকাকে এখন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য লড়তে হচ্ছে। অবশ্য সেরে উঠছেন তিনি দ্রুত। হাসিমাখা ভিডিওতে কয়েক দিন আগেই সতীর্থদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস জুগিয়েছেন। তাকে আরও হাসি উপহার দিতে চায় দল। যদিও বেলজিয়ামের সঙ্গে গত বছর নেশন্স লিগের দুটি ম্যাচই ডেনিশদের জন্য হতাশার। বেলজিয়ামে ২-৪ গোলে হারের পর গত সেপ্টেম্বরে কোপেনহেগেনের এই মাঠেই ০-২ গোলে হারে ডেনমার্ক। কিন্তু আজ তো নতুন দিন, নতুন প্রত্যয়।

প্রথম ম্যাচে নবাগত ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ খেলছিল ডেনমার্ক। কিন্তু এরিকসেনের ঘটনায় মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে তারা। সেই সুযোগে জোয়েল পোহানপালোর ৬০ মিনিটের গোলে ঐতিহাসিক জয় এনে দেয় ফিনিশদের। ওই ম্যাচের প্রসঙ্গ উঠতে ডেনিশ গোলরক্ষক ক্যাসপার শ্মাইকেল বলেন, ওই মানসিক অবস্থা নিয়ে তাদের খেলাটাই কঠিন ছিল। কিন্তু যা হয়েছে তা ভুলে সামনে দেখতে চান এই গোলরক্ষক। ফিনল্যান্ড ম্যাচে ১৬ হাজার স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থন শক্তি জুগিয়েছিল ডেনমার্ককে। আজ ২৫ হাজার দর্শক উপস্থিত থাকবেন পারকেন স্টেডিয়ামে। গ্যালারির এই শক্তি কাজে লাগিয়ে এরিকসেনকে জয় উপহার দিতে চান শুমিখেল। ডেনিস গোলরক্ষক বলেন, ‘দ্বিতীয় ম্যাচটা আমাদের জন্য নিশ্চিতভাবেই আবেগময় হতে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা এই আবেগ কাজে লাগাব। কোনো সন্দেহ নেই আমরা এখন আগের চেয়ে অনেক ঐক্যবদ্ধ। এক ম্যাচ হারলেও আমরা এখনো টুর্নামেন্টে আছি। আমরা চাই এই ম্যাচটা এরিকসেনের জন্য জিততে।’