ভারতকে কম দামে ৫০ কোটি টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চলতি বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে আসছে করোনা টিকার বড়সড় চালান, সব মিলিয়ে থাকছে ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিংহ সান্ধু এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।

আমেরিকার প্রথম দফার টিকা বণ্টনে ভারতের ভাগে পড়েছিল সামান্যই। সে ঘাটতি পুষিয়ে দিতে দুই ধাপে আসছে পরবর্তী চালান।

সেই প্রতিষেধক সুলভে ভারতে আনার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করতে চলেছে জো বাইডেন প্রশাসন, দাবি ভারতের দূতের।

তরণজিৎ বলেন, “ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ ভারতের জন্য আসছে। স্থির হয়েছে এই বছরের শেষে ২০ কোটি এবং আগামী বছরের গোড়ায় ৩০ কোটি ডোজ ভারত পাবে।”

এ হিসেবে ২০২২ সালের গোড়ায় শুধুমাত্র ফাইজারের প্রতিষেধকেই ভারতের ২৫ কোটি মানুষের টিকাদান সম্ভব।

মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ফাইজারের দাবি, করোনাভাইরাসের নতুন ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধে ‘দারুণ কার্যকর’ তাদের তৈরি টিকা। ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রায় এক মাস সংরক্ষণ করা যাবে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে ভারতের নীতি-নির্ধারণী বিষয়ক সংস্থার সদস্য ভি কে পল জানিয়েছিলেন, এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশটির জন্য আনুমানিক ২১৬ কোটি ডোজ তৈরি হওয়ার কথা। তার মধ্যে ৫৫ কোটি কোভ্যাক্সিন এবং ৭৫ কোটি কোভিশিল্ড থাকবে। সেই সঙ্গে ক্যাডিলার ৫ কোটি, বায়োলজিক্যাল ই-র ৩০ কোটি, স্পুটনিকের প্রায় ১৬ কোটি টিকা উৎপাদনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।  এ ছাড়া ফাইজার, মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

এ দিকে বিনিয়োগ হিসেবে অগ্রিম টাকা নিয়েও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ডের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় ডোজের ঘাটতিতে রয়েছে। একই কারণে কোভ্যাক্স প্রকল্পে কয়েক কোটি টিকা কম পড়বে।