বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দেশ রূপান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার শ^শুর ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ^র চন্দ্র রায়।
গয়েশ্বর জানান, গত ২৮ মার্চ নাশকতার ষড়যন্ত্রের মামলায় রায়েরবাজারের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের আড়াই মাস পর গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান নিপুণ। এরপর গতকাল দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। এ সময় দলের নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। সেখান থেকে নিপুণ নয়াপল্টনে তার শ্বশুরের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে যান। এরপর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
গত ১৬ জুন বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ নিপুণ রায় চৌধুরীকে জামিন দেয়। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে নিপুণ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।
র্যাবের পক্ষ থেকে সে সময় অভিযোগ করে বলা হয়, হেফাজতে ইসলাম হরতাল ডাকার পর বিএনপির এক কর্মীকে বাসে আগুন দিতে বলেছিলেন নিপুণ। নিপুণ রায় এবং কেরানীগঞ্জের বিএনপি কর্মী আরমানের কথিত সেই টেলিকথোপকথনের একটি অডিও তখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় নাশকতা ও অগ্নিসংযোগের মামলা করা হয়। এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী থানায় বেআইনি সমাবেশ, গুরুতর আঘাত ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় নিপুণকে। দুই মামলায় দুই দফায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ।