রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। ওই মেশিনটি আড়াই বছরেও মেরামত করা হয়নি। অপরদিকে, নতুন একটি এক্সরে মেশিন আনা হলেও তা ব্যবহার হচ্ছে না, সেটি তালাবদ্ধ রুমে পড়ে আছে। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের কয়েক গুণ বেশি টাকা দিয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গিয়ে এক্সরে করাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটি পঞ্চাশ শয্যাবিশিষ্ট। হাসপাতালে প্রথম এক্সরে মেশিন জাপানের তৈরি ‘একোমা-১০০’ স্থাপন করা হয় ১৯৮৫ সালে। ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। স্বাস্থ্যসেবা পেতে উপজেলা এলাকার দেড় লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। সেখানে প্রতিদিন গড়ে চার শতাধিক বিভিন্ন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এক্সরে মেশিন অকার্যকর থাকায় সরকারি ওই হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান (রেডিওলজি) কামরুল হাসান জানান, এক্সরে মেশিনে বৈদ্যুতিক কারণে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বিকল হয়ে পড়ে আছে। গত বছরের ডিসেম্বরে সেখানে নতুন একটি এক্সরে মেশিন আনা হলেও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের অভাবে সেটি চালু করা যাচ্ছে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসিফ মাহমুদ বলেন, মূলত মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের অভাবে নতুন এক্সরে মেশিনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি যাতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মেশিনটি চালু করার ব্যবস্থা করেন।