একুশতম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ের মিশন নিয়ে উইম্বলডনে খেলতে নামবেন রজার ফেদেরার। ২০টা শিরোপা নিয়ে তার সেরা প্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদাল ইনজুরির কারণে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ঘাসের কোর্টের সর্বোচ্চ আসর থেকে। তবে ফ্রেঞ্চ ওপেনে ১৯তম গ্র্যান্ডস্ল্যাম শিরোপাজয়ী নোভাক জকোভিচ খেলবেন। আরও খেলবেন গ্রিসের নতুন তারকা স্তেফানোস সিতসিপাস। এছাড়া মার্গারেট কোর্টের ২৪টা গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ের রেকর্ড ছোঁয়ার মিশন নিয়ে খেলতে নামছেন ৩৯ বছর বয়সী সেরেনা উইলিয়ামস।
তবে উইম্বলডনের নারী একক এবার কিছুটা জৌলুশহীন। আগেই খেলবেন না বলে জানিয়েছেন নাওমি ওসাকা। দুই দিন আগে নাম প্রত্যাহার করেছেন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সিমোনা হালেপ। পায়ের পেশির চোটের কারণে এবার সরে দাঁড়িয়েছেন এ রুমানিয়ান তারকা। গত বছর করোনা অতিমারীর কারণে উইম্বলডন হয়নি। আগের বছর শিরোপা জিতেছিলেন হালেপ। করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ইউএস ওপেন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন হালেপ। মে’র শুরুর দিকে ইতালিয়ান ওপেনে অ্যাঞ্জেলিক কার্বারের বিপক্ষে ম্যাচের মাঝপথে বাঁ পায়ের পেশিতে চোট পেলে মাঝপথে অবসর নেন। এরপর ফ্রেঞ্চ ওপেনও খেলেননি। ফলে সবশেষ পাঁচ গ্র্যান্ডস্ল্যামর তিনটিতেই খেলতে পারলেন না তিনি। হালেপ বলেছেন, ‘সত্যি বলতে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হওয়ায় আমি খুবই হতাশ। সময়টা খুব কঠিন তবে দুটি গ্র্যান্ডস্ল্যাম খেলতে না পারায় মানসিক ও শারীরিকভাবে আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে কী অপেক্ষা করছে দেখা যাবে। আশা করছি, এটা আমাকে ব্যক্তি ও ক্রীড়াবিদ হিসেবে আরও শক্তিশালী করবে।’
কব্জির ইনজুরির কারণে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ডমিনিক তিমও। তবে এবার উইম্বলডনে নজর কাড়বেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের রানাসআপ সিতসিপাস। আর আছেন দ্বিতীয় বাছাই দানিল মেদভেদেভ। তবে ঘাসের কোর্টে বরাবরের ফেবারিট ফেদেরার এবং জকোভিচ। র্যাংকিংয়ের এক নম্বরে থাকা সার্ব তারকা মিশন শুরুর আগে বলেছেন, ‘আসল ব্যাপার হলো ছন্দে থাকা, নিজের কাজ ঠিকভাবে করতে পারা। তাছাড়া রজার এবং রাফার কাছাকাছি আসতে পারায় মানসিক শাস্তি দিচ্ছে। সাম্প্রতিক কালের টেনিস ইতিহাস বলছে অধিকাংশ গ্র্যান্ডস্ল্যাম আমরাই জিতেছি।’ দুটি গ্র্যান্ডসø্যামের ফাইনাল খেলা রাশিয়ান মেদভেদেভ বলেছেন, ‘আমি ঘাসের কোর্টে খেলতে সবসময় পছন্দ করি। চার বছর আগেই আমি বলেছিলাম ঘাসই আমার ফেবারিট সার্ফেস।’