কঠোর লকডাউন শুরুর আগের দিন বুধবার দিনভর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি পারাপারে যাত্রীর চাপ বেড়েছে।
বুধবার ভোর থেকেই রাজধানী ছেড়ে দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীরা শিমুলিয়ায় আসতে শুরু করে।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের এ নৌরুটে ফেরিতে স্বাভাবিকের চাইতে যাত্রী ও পণ্যবাহীসহ ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে চোখে পড়ার মতো।
বর্তমানে ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ২ শতাধিক যানবাহন।
ফেরিতে ব্যক্তিগত ও পণ্যবোঝাই যানবাহনের সঙ্গে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন শত শত যাত্রী। এদের কারও মুখেই দেখা যায়নি।
এদিকে, শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশ মুখে ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে আইন-শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্ট রয়েছে।
সেখানে ছোট ছোট যানবাহন ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা পায়ে হেঁটেও ছুটে আসছেন শিমুলিয়া ঘাটে।
বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যাবস্থাপক (বাণিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান জানান, শিমুলিয়া ঘাটে সকাল থেকেই যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে। ভোর থেকে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পণ্যবাহী যানবাহন ও ব্যক্তিগত গাড়িসহ প্রায় ২ শতাধিক গাড়ি রয়েছে পারের অপেক্ষায়।
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন জানান, লকডাউনকে কেন্দ্র করে শিমুলিয়া ঘাটসহ জেলার বিভিন্ন প্রবেশ পথগুলোতে আজও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট রয়েছে। রিকশা ও জরুরি গাড়ি ব্যাতীত অন্যান্য গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রাজধানী থেকে সিএনজি ও ব্যক্তিগত গাড়িযোগে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন।
পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানও খোলা রয়েছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে মোট ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে জরুরি ও পণ্যবাহীসহ ২ শতাধিক গাড়ি।
সিরিয়াল অনুযায়ী সব গাড়ি পার করা হচ্ছে। যাত্রী পারাপারের বিষয়ে আমাদের সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকায় যাত্রীরা ঘাটে এসে পার হতে পারছে।