জিয়াউর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি ও ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের সংবাদ পাঠক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাফি খানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বিএনপি।
শুক্রবার কাফি খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে গণমাধ্যমে শোকবার্তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক কাফি খান যুক্তরাষ্ট্রে ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৯৬৬ সালে ভয়েস অব আমেরিকায় যোগ দেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি ওয়াশিংটনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৮৩ সালে তিনি দ্বিতীয়বার ভয়েস অব আমেরিকায় যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি বেশ কিছু দিন খণ্ডকালীন বেতার সম্প্রচারক হিসেবে ভয়েস অব আমেরিকায় যুক্ত ছিলেন।
শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, কাফি খান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। একদিকে সাংবাদিকতা, অন্যদিকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সবখানেই তার অসামান্য প্রতিভা তাকে এক স্বতন্ত্র মাত্রা দান করেছিল। বিচক্ষণতা ও সফলতার সাথে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রেস সেক্রেটারির গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তিনি জিয়াউর রহমানের সাথে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিবিড় যোগাযোগ ও সেতুবন্ধন রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। শুধু গণমাধ্যম নয়, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে সেসময় তিনি নেপথ্যচারীর ভূমিকাও পালন করেছিলেন।
তিনি বলেন, ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান কাফি খান প্রেস সচিব হিসেবে যে দক্ষতা ও প্রাজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন তা অতুলনীয়। তার মৃত্যুতে জাতি সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হারাল। সাংবাদিক কাফি খানের মৃত্যুতে দেশবাসী ও তার পরিবার-পরিজনদের মতো আমিও গভীরভাবে মর্মাহত। আমি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, সতীর্থ ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।