মুসলিম অধ্যুষিত জিনজিয়াং প্রদেশে চীন যে নীতিমালা গ্রহণ করেছে সে বিষয়ে ফের দেশটিকে সমর্থন দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে পাকিস্তান সফরে আছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা। তাদের সঙ্গে আলাপকালে মুসলিম প্রধান দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান কমিউনিস্ট পার্টির প্রশংসাও করেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, চীন উইঘুর মুসলিমদের নির্মূল করতে দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে। তাদের ক্যাম্পে আটকে রেখেছে। অন্য প্রদেশে যেতে দেয়া হয় না।
চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের এমনিতে সুসম্পর্ক। গত কয়েক দশকে ঋণের কারণে সেটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
ইসলাম ভীতি নিয়ে সব সময় বক্তব্য দেয়া ইমরান বলছেন, ‘জিনজিয়াং নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়া এবং তাদের সরকার যা বলে তার সঙ্গে আমাদের ভাবনা সম্পূর্ণ আলাদা।’
‘কারণ চীনের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ক বিশ্বাসের। তাই আমরা চীনের কর্মকাণ্ড গ্রহণ করি।’
বহু দেশের গবেষকেরা এ বিষয়ে একমত যে উইঘুর মুসলমানদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তাদের কঠিন পরিশ্রমের কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং তাদের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। উইঘুরদের দুটো গ্রুপ আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার চেয়ে মামলাও করেছে।
১৯৫০-এর দশকে উইঘুরদের তুরস্ক সরকার আশ্রয় দিত। কিন্তু এখন তুরস্কের পুলিশ জিনজিয়াং থেকে পালিয়ে আসা উইঘুরদের ধরে ধরে আটককেন্দ্রে রাখছে এবং তাদের চীনের হাতে প্রত্যর্পণ করছে।