কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও দৌলতদিয়া ঘাট ফাঁকা

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট অনেকটাই ফাঁকা। কিছু পণ্যবাহী গাড়ি, জরুরি প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ছাড়া যানবাহন চলেনি। 

তবে যারা জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েছেন তাদের পড়তে হয়েছে মহাবিপাকে। ঘাট পর্যন্ত আসতে পোহাতে হয়েছে অনের ভোগান্তি। 

রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ। শুক্রবার এ পথে ফেরি চলাচল ছিল স্বাভাবিক। ফেরিতে পণ্যবাহী গাড়ি ছাড়াও দু-একটি ব্যক্তিগত গাড়ি পার হয়েছে। এ সময় ঘাট এলাকায় কিছু যাত্রী দেখা গেছে। 

সরেজমিন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় অবস্থান করে দেখা যায়, গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের  কয়েকজন সদস্য  টহল দিচ্ছেন। এ সময় কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা হয়।  তাদের মধ্যে একজন সেলিম শেখ বলেন, মা অসুস্থ। তিনি হার্টের রোগী। নিজ জেলায় ভালো চিকিৎসা নেই বলে  উন্নত চিকিৎসার জন্য মাকে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডবি­উটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারি মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, আমাদের নির্দেশনা আছে পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি সেবার যানবাহন পারাপারে সমস্যা নেই। মেডিকেল ইমারজেন্সি, ডাক্তার দেখানোর জন্য অনেকে আজ ঘাট পাড়ি দিয়েছে। ত ছিল সীমিত। 

তিনি আরো বলেন, নদীতে স্রোত থাকায় ফেরি চলাচলে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। শুক্রবার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে।