জিম্বাবুইয়ানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং প্রস্তুতিটা ভালোই হলো। রান খরায় থাকা সাকিব আল হাসানসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যানরা রান পেয়েছেন। ডিপিএলে রান না পাওয়া সাকিব করেছেন হাফসেঞ্চুরি। ৫৬ বলে ৭৪ রানের ঝড়ো ইনিংস দিয়ে এ সিরিজটা ভালো কাটার ইঙ্গিতও দিলেন। তাতে মাত্র দুই ব্যাটসম্যান খুইয়ে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিন ৯০ ওভারে ৩১৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ড্রেসিংরুমে ফেরা বাকি ব্যাটসম্যানরা নিয়েছেন স্বেচ্ছা অবসর।
প্রস্তুতি ম্যাচে দলে ছিলেন না তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। তামিমের হালকা ইনজুরি থাকায় খেলতে নামেননি। এদিকে মুশফিকুর রহিমের বদলে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয় নুরুল হাসান সোহানকে। লিটন দাশের পর সাত নম্বরে রাখা হয় মাহমুদউল্লাহকে। টেস্টের জন্য প্রস্তুতি ম্যাচকে যদি হিসাবে আনা হয় তাহলে মাহমুদউল্লাহ কি টেস্টে ফিরছেন? ৭১ বলে ৮ চারে ৪০ রানে অপরাজিত থেকে দাবিটা রাখলেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। এছাড়া শুরুতে এক সাদমান ইসলাম ০ রানে ফেরা বাদে দলের সবাই রান পেয়েছেন। অধিনায়ক মুমিনুল হককে ২৯ রানে ফেরান লেগস্পিনার চিপুঙ্গু। এছাড়া অপর ওপেনার সাইফ হাসান ১০৮ বলে ৬৫, নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৭ বলে ৫২, লিটন ৮২ বলে ৩৭ করে স্বেচ্ছা অবসরে যান।
সবচেয়ে সাবলীল খেলেছেন সাকিব। ধীরস্থির শুরু করা সাকিবের ইনিংসটি সময়ের সঙ্গে গতিময় হয়। মুফুদজা ও চিপুঙ্গুর দুই ওভারে টানা তিনটি করে চার মেরেছেন সাকিব। টেস্টের মেজাজে ব্যাট করে এক সময় স্ট্রাইক রেট ১৩২-এ নিয়ে যান সাকিব। অবশ্য ৪৮ রানে চিপুঙ্গুর বলে উইকেটের পেছনে জীবন পান। কিন্তু ছন্দ হারাননি পুরো ইনিংসে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ১ম দিন শেষে ৩১৩/২ (সাদমান ০, সাইফ ৬৫ রি., শান্ত ৫২ রি., মুমিনুল ২৯, সাকিব ৭৪রি., লিটন ৩৭ রি., মাহমুদউল্লাহ ৪০*, মিরাজ ৫*, জঙ্গে ১/২৩, চিপুঙ্গু ১/৩৪)।