অনেকদিন ধরেই রান খরায় ভুগছিলেন শিমরন হেটমায়ার। দলে জায়গা হয়ে পড়েছিল নড়বড়ে। অবশেষে জ্বলে উঠলেন তিনি। তুললেন ঝড়। রুদ্রমূর্তি দেখা গেল ডোয়াইন ব্র্যাভো, আন্দ্রে রাসেলের ব্যাটেও। বড় পুঁজি পাওয়া উইন্ডিজকে পরে চ্যালেঞ্জই জানাতে পারল না অস্ট্রেলিয়া। সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে ৪ উইকেটে ১৯৬ রান করে অস্ট্রেলিয়াদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে উইন্ডিজ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে তারা।
চোটের কারণে শনিবারের ম্যাচে ছিলেন না অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড। তবে তার অভাব টেরই পাওয়াই যায়নি। আন্দ্রে ফ্লেচার শুরুতে আউট হয়ে গেলেও লেন্ডল সিমন্স আনেন ভালো শুরু। তিনে নামা ক্রিস গেইল এদিনও রান পাননি। ১৬ বলে ২ বাউন্ডারি করেই বিদায় নেন মিচেল মার্শের বলে বোল্ড হয়ে। সবটা পুষিয়ে দেন চারে নামা হেটমায়ার। মাত্র ৩৬ বলে ২ চার, ৪ ছক্কায় করেন ৬১। শেষটা রাঙান ব্রাভো আর রাসেল। ৩৪ বলে ৪৭ করে অপরাজিত থাকেন ব্রাভো। আর মাত্র ৮ বলেই ২৪ করেন আগের ইনিংসে ফিফটি করা রাসেল। শেষ ৯ ওভারে ১১৮ রান তোলে উইন্ডিজ। শেষ ৪ ওভারেই ওঠে ৬১ রান।
বিশাল রান তাড়ায় নেমে দ্বিতীয় বলেই ম্যাথু ওয়েডকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। দলের ১৯ রানে ফিরে যান অ্যারন ফিঞ্চ। আগের ম্যাচের মতো এদিনও হাল ধরেছিলেন মিচেল মার্শ। তবে আর কেউই তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি। একদিকে চলে উইকেট পতনের মিছিল। শেলডন কটরেল, হেইডেন ওয়ালশ জুনিয়রদের তোপে অনেক আগেই হার নিশ্চিত হয়ে যায় সফরকারীদের। শেষ পর্যন্ত ৪ বল আগে গুটিয়ে তাদের ইনিংস থেমেছে ১৪০ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : উইন্ডিজ : ২০ ওভারে ১৯৬/৪ (সিমন্স ৩০, ফ্লেচার ৯, গেইল ১৩, হেটমায়ার ৬১, ড্যারেন ব্রাভো ৪৭*, রাসেল ২৪*; হ্যাজেলউড ১/৩৯, অ্যাগার ১/২৮, মিচেল মার্শ ১/১৮)। অস্ট্রেলিয়া : ১৯.২ ওভারে ১৪০ (মিচেল মার্শ ৫৪, কটরেল ২/২২, গেইল ১/১, এডওয়ার্ডস ১/৮, সিমন্স ০/১, রাসেল ১/২২, ব্রাভো ১/২৯)।