বগুড়া ও নেত্রকোনায় পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শেরপুরে পুকুরে ডুবে দুই বোন মারা গেছে। ১০ বছর বয়সী দুই শিশু সম্পর্কে মামাতো-ফুপাতো বোন। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ভাটারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত জেমি খাতুন (১০) ওই গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে ও মিম খাতুন (১০) সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার বেলতলা গ্রামের সুমন হোসেনের মেয়ে।

এলাকাবাসী ও মৃত দুই বোনের স্বজনরা জানান, মিমের বাবা-মা ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করার কারণে সে নানির কাছে থাকত। গতকাল সকালে মিম ও তার মামাতো বোন জেমিসহ সমবয়সী কয়েকজন মিলে ওই পুকুরপাড়ে খেলতে যায়। একপর্যায়ে পা পিছলে জেমি পুকুরে পড়ে গেলে মিম তাকে তুলতে পুকুরে নামে। এ সময় দুজনই ডুবে যায়। তাদের সঙ্গে থাকা অন্যরা চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসী ও তাদের স্বজনরা গিয়ে পুকুর থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম নুরু জানান, বাড়ি তৈরির জন্য মাটি কেটে গর্ত করা জায়গায় পানি জমে পুকুরে পরিণত হয়েছে। গর্ত অনেকটা গভীর হওয়ার কারণে তারা সেখানে ডুবে মারা যায়।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, দুই শিশুর পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বর্ষার জমা পানিতে ডুবে মোস্তাকিন নামে ১২ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুপুরের দিকে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের বিশাউত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে একই গ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে। শিশুকে উদ্ধার করে সোয়া ৩টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান বলেন, এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।