বুধবার রাত বারোটা থেকে শিথিল হচ্ছে করোনার বিধিনিষেধ। এরপর নিয়ম মেনে চলবে সব ধরনের যানবাহন, খুলবে দোকানপাটও।
তবে বুধবার সকাল থেকেই বিধিনিষেধ কাটার আবহ নগরজুড়ে। বাস ছাড়া প্রায় সব ধরনের যানবাহনের চলাচল শুরু হয়েছে। রাস্তায় বেড়েছে ভিড়, অনেকে নেমেছেন কেনাকাটায়।
বিধিনিষেধের ১৩ দিন সড়কে দেখা গেছে ব্যক্তিগত বাহন ও রিকশা। তবে চেকিং-এর কারণে অনেকে বের হননি। কিন্তু বুধবার প্রধান সড়কে রিকশার পাশাপাশি প্রাইভেটকার, পণ্যবাহী পরিবহন, আছে প্রচুর মাইক্রোবাস ও মোটরবাইক। এত দিন সড়কে সিএনজি না থাকলেও কিছু কিছু জায়গায় সিএনজিতে যাত্রী ডাকতে দেখা গেছে।
রাজধানীর উত্তরা, বিমানবন্দর, কাওয়ানবাজার, বিজয়নগর, তেজগাঁও, কাকরাইল, পল্টন, আজিমপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মিরপুরের সড়কগুলোতে ছিল এমন চিত্র। এ সব এলাকায় ট্রাফিক সামলাতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের।
করোনার ভারতীয় ধরন ডেল্টার ভয়াবহ সংক্রমণে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ১ জুলাই সারা দেশে শুরু হয় লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ। যার শেষ দিন আজ।
তবে ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদের আগে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইতিমধ্যে বাস, ট্রেন, নৌযানসহ গণপরিবহন চলার ঘোষণা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী (যত আসন, তার অর্ধেক) নিয়ে চলবে এসব গণপরিবহন।
সরকার জানিয়েছে, ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত সকল বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে। ঈদের ছুটির পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত আগের বিধিনিষেধগুলো আবারও কার্যকর হবে।