টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়া চিকিৎসা সেবা দিতে দেখা গেছে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকদের।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৮টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মাসে অন্তত ১৫ শ রোগী বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে থাকেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বাংড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৭ থেকে ৯ জন রোগী লাইন ধরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে।
কথা হয় বাগুটিয়া এলাকার মরিয়ম বেগমের সাথে, তিনি তার এক বছরের কন্যা শিশু মীমের জন্য ওষুধ নিতে এসেছেন।
তিনি বলেন, বহুবার এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসেছি। এখানকার ডাক্তাররা খুবই ভাল চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন।
এ ব্যাপারে বাংড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. প্রণয় চন্দ্র দাস বলেন, উপজেলায় প্রান্তিক জনসাধারণকে আমরাই প্রথমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ করোনার সময়ে কোনো স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমাদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, পিপিই কোনোটাই সরবারহ করা হয়নি। সরকারের সব ক্ষেত্রে সাফল্য থাকলেও এই খাতে কেন নজর নেই তা আমাদের জানা নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উম্মে রুমান সিদ্দিকী বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী সল্পতার কারণে আমরা সবাইকে সরবারহ করতে পারিনি। এ জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা জানিয়েছি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাস্ক ও পিপিই প্রচুর পরিমাণে মজুদ রয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি নীরব থাকেন।