হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তান

৩৩১ রান তুলে সিরিজের শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেই আশাও ভেস্তে গেছে। বাবর আজমের ওয়ানডে সর্বোচ্চ ১৫৮ রানের ইনিংসকে ম্লান করে ৩ উইকেটের দারুণ জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। জেমস ভিনসের ১০২ ও লুইস গ্রেগরির ৭৭ রানের দুটো ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানের দেওয়া ৩৩২ রানের টার্গেট ১২ বল হাতে রেখেই ছুঁয়ে ফেলে তারা। ৭ উইকেটের জয়ে হোয়াইটওয়াশ করে পাকিস্তানকে। ১৫ ম্যাচে ৯ম জয়ে ৯৫ পয়েন্ট নিয়ে সুপার লিগের শীর্ষে তারা। এরপরে বাংলাদেশ ৫০ পয়েন্ট নিয়ে। অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের পয়েন্ট ৪০।

এজবাস্টনে স্টোকসের আমন্ত্রণে ব্যাট করা পাকিস্তান বাবরের ১৩৯ বলে ১৫৮ রানে ৯ উইকেটে ৩৩১ রান তোলে। এ ছাড়া ৫৮ বলে ৭৪ করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, ওপেনার ইমাম উল হক করেন ৫৬। ইংল্যান্ডের ব্রাইডন কার্স নেন ৬১ রানে ৫ উইকেট। সাকিব মাহমুদ নিয়েছেন ৩ উইকেট। জবাবে সপ্তম ওভারের প্রথম বলে ৫৩ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েও দমেনি ইংল্যান্ড। জ্যাক ক্রলি (৩৯) ও স্টোকসকে (৩২) নিয়ে এগিয়ে যান জেমস ভিনস। ২৪তম ওভারে ১৬৫ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। এরপর ভিনস-গ্রেগরির প্রায় কুড়ি ওভারে ১২৯ রানের জুটিতেই জয়ের দেখা পায় তারা। কোনো ছক্কা ছাড়াই ৯৫ বলে ১০২ রান করে দলের ২৯৪ রানের মাথায় আউট হন ভিনস। ৬ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় গ্রেগরি ৬৯ বলে করেন ৭৭। এরপর ওভারটন ও কার্স জয় নিশ্চিত করেন। বেন স্টোকস বলেছেন, ‘সিরিজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা অসাধারণ খেলেছি। এমন কৃতিত্বের জন্য দল এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।’ হারের কারণ হিসেবে বাবর আজম বলেছেন, ‘আমরা শুরুটা ভালোই করেছিলাম। কিন্তু ফিল্ডিং ব্যর্থতার কারণে সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।’ ম্যাচসেরা হয়েছেন ভিনস। সিরিজসেরা হয়েছেন পেসার সাকিব মাহমুদ। ১৬ জুলাই থেকে শুরু টি-২০ সিরিজ। সেই সিরিজে ইংল্যান্ডের বেশ কিছু নিয়মিত ক্রিকেটার দলে ফিরতে পারেন।