রাজবাড়ী শহর রক্ষায় স্থায়ীভাবে পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার এক মাস পরই দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরের দিকে শহরের ধুঞ্চি এলাকার পাশাপাশি দুটি স্থানে বাঁধে কংক্রিটের ২০ মিটার ও ১০ মিটার ব্লক ধসে যায়।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী শহর রক্ষায় পদ্মা নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ কাজ হয়েছে সাড়ে চার কিলোমিটার এলাকায়। এজন্য ব্যয় হচ্ছে ৩০২ কোটি টাকা। রাজবাড়ীর ধুঞ্চি এলাকা থেকে গোদারবাজার পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার। আর রাজবাড়ী মৌলভী ঘাট থেকে লালগোলা পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া শহররক্ষা প্রকল্পের কাজ শেষ হয় চলতি বছরের ৩১ মে। কাজটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছিল খুলনা শিপ ইয়ার্ড।
স্থানীয় বাসিন্দা নেহাল আহমেদ বলেন, ‘কাজের মান দেখে খুবই হতাশ। কারণ এক মাসের মধ্যে ধসে যাবে এটি আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। তাহলে এই বাঁধ রাজবাড়ী শহরকে কীভাবে রক্ষা করবে। এ ছাড়া আরও অনেক স্থানেই ফেটে গেছে।’
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল আহাদ বলেন, ‘আমরা ধসে যাওয়া এলাকায় কাজ শুরু করেছি দুই ঘণ্টার মধ্যেই। আশা করি আর ভাঙন হবে না। এক বছর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি রক্ষণাবেক্ষণ করবে। এই সময়ে বাঁধে কোনো ক্ষতি হলে সেটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেরামত করে দেবে। ভাঙনকবলিত দুটি স্থানে মেরামত করতে যে ব্যয় হবে সেটিও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দেবে। এখানে সরকারের কোনো খরচ হবে না।’