রাশিয়া থেকে স্পুতনিক-ভি ভ্যাকসিন কেনার বিষয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রস্তাব নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় খুব একটা এগোয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
পাঁচ দিনের উজবেকিস্তান সফর থেকে দেশে ফিরে সোমবার নিজ বাসভবনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি রাশিয়ার কাছ থেকে অর্ধেক দামে সাত দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন আনতে পারবেন বলেছিলেন। এতে আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাশিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসানের সঙ্গে তার এই বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত তাকে জানিয়েছিলেন যে রাশিয়া বাংলাদেশে স্পুতনিক ভ্যাকসিনের পরিবেশক হিসেবে কোনও বেসরকারি এজেন্ট নিয়োগ করেনি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,‘পরে আমরা শুনেছি যে এজেন্টশিপ পেয়েছে একজন আমেরিকান। ডা. জাফরুল্লাহ ওই আমেরিকানের থেকে ভ্যাকসিন আনবেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ নিয়ে খুব একটা এগোয়নি।’
তিনি জানান, অনেক সাংবাদিক, গায়ক ও বুদ্ধিজীবী বারবার প্রস্তাব দিয়েছেন যে সরকার অনুমতি দিলে তারা কম দামে ভ্যাকসিন আনতে পারবেন। এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। আমরা তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে যেতে বলেছি।
এর আগে, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালকে বাংলাদেশে স্পুতনিক টিকার একমাত্র পরিবেশক নিযুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (জিএসকে) সরকারকে রাশিয়ার কাছ থেকে দুই কোটি ডোজ স্পুতনিক-ভি টিকা কেনার প্রস্তাব করে।
৬ জুন এক বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের কাছে জমা দেওয়া একটি প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি ডোজ টিকার দাম আট ডলার উল্লেখ করা হয়।
স্পুতনিক-ভি টিকা কেনা ও যৌথ উৎপাদনের বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ আলোচনা করছে। তবে, এখনও এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়নি জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে।