সীতাকুন্ডে হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় যানজট নিরসন করতে গেলে পোর্টলিংক লজিস্টিক ডিপোর কর্মচারীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পোর্টলিংক ডিপোর সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দায়িত্বরত পুলিশের একটি রেকারও (গাড়ি সরানোর যন্ত্র) ভাঙচুর করা হয় বলে দাবি পুলিশের।

বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাটিয়ারীর পোর্টলিংক ডিপো এলাকায় শনিবার সকাল থেকে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ডিপোতে আসা পণ্যবহনকারী ট্রাক, লরি ও কাভার্ড ভ্যানগুলো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এলোপাতাড়ি দাঁড় করে রাখার কারণে চট্টগ্রামমুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবাহী ও রোগী বহনকারী গাড়িগুলো। এতে ৫ কিলোমিটারের অধিক যানজট সৃষ্টি হয়। বেলা ১১টার সময় বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার পুলিশ রেকার নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে যানজট নিরসনে কাজ শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পর পোর্টলিংক লজিস্টিকের একটি গাড়ি সরাতে গেলে লজিস্টিকের কর্মচারীরা রেকারের চালকের ওপর হামলা করে। বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে ডিপোর ট্রাক, লরি ও কাভার্ড ভ্যানগুলো এলোপাতাড়ি রেখে যানজট সৃষ্টি করে। ছলিমপুর থেকে কদমরসুল পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম মহাসড়ক যানজটমুক্ত করতে গেলে ডিপোর ব্যবহৃত লরির হেলপার ও কর্মচারীরা পুলিশের রেকার ভাঙচুর করে। আহত করে রেকারের চালক নুরুন্নবীকে। এ ঘটনায় পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ওখানে স্থাপিত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

পোর্টলিংক লজিস্টিক ডিপোর লরি চালক আবদুর রহিম বলেন, গত দুই দিন ধরে ট্রাকের পণ্য আনলোড হয়নি। এ ছাড়া রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকগুলো সরিয়ে যেতে বাধ্য করাতে পুলিশের রেকার চালকের সঙ্গে লরির চালক ও ডিপোর কর্মচারীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। পুলিশের ওপর কোনো হামলা হয়নি বলে দাবি তার। তবে পোর্টলিংক লজিস্টিক ডিপোর সিকিউরিটি ইনচার্জের মোবাইলে বারবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।