বাগেরহাটে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শহরের হোটেল রেস্তোঁরাগুলোতে ঝাপ আটকে ভেতরে বসে খাবার পরিবেশন করছেন হোটেল মালিকরা।
স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের জেল জরিমানা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৬৮ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলায় ১৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে কাজ করছে। তারপরেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। জরিমানার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করছে প্রশাসন।
বাগেরহাটের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তা রোধে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে। করোনা সংক্রমণের মধ্যে হোটেলে বসে খাবার না খাওয়ানো সরকারের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না হোটেল মালিকরা।
তারা হোটেলের ঝাপ বন্ধ রেখে সাধারণ মানুষের মাঝে খাবার পরিবেশন করছে। আমরা এসব হোটেল মালিকদের জরিমানা করছি।
এছাড়াও অনেকে উদ্দেশ্যেবিহীন বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন তাদেরও আমরা জেল-জরিমানা করছি। সরকারের নির্দেশনা মানতে সবার প্রতি আহ্বান জানান এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. নাজমুল হুদা বলেন, বাগেরহাটে টানা চতুর্থ দিনের মত লকডাউন চলছে। শহরের দোকানপাট বন্ধ থাকলেও সাধারণ মানুষ কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে আসছেন। এসব মানুষকে ঘরে রাখতে প্রশাসনের ১০ থেকে ১৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নিয়মিত কাজ করছে। এর পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবিও মাঠে তৎপর রয়েছে।
গত তিন দিনে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জেলায় ২০৩ জনকে এক লাখ ৬২ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে জরিমানার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছে প্রশাসন।