স্বপ্নের পেছনে ছুটে মানুষ, কিন্তু সফল হয় ক’জন! টম ড্যালি তার স্বপ্ন সত্যি করে দেখালেন। ২০০৮ সালে ১৪ বছর বয়সে প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেন টম। ১২ বছর পর, নিজের চতুর্থ অলিম্পিক আসরে এসে পেলেন স্বর্ণ। টোকিও অলিম্পিকে ১০ মিটার সিনক্রোনাইজড প্ল্যাটফর্ম ডাইভিংয়ে স্বর্ণ জিতেছেন ম্যাটি লি’র সঙ্গে জুটি বেঁধে।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে বেইজিং অলিম্পিকে অভিষেক হয়েছিল টম ড্যালির। সেবার সাফল্য না পেলেও ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে পেয়েছিলেন ব্রোঞ্জ। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে টমকে নিয়ে অনেক আশা থাকলেও সেবারও তাকে ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। অবশেষে টোকিও অলিম্পিকে এসে, অভিষিক্ত ম্যাট লিকে নিয়ে তীব্র লড়াইয়ে হারিয়ে দেন চাও-চেন জুটিকে।
অলিম্পিক স্বর্ণ গলায় ঝুলিয়ে ড্যালি বলেছেন, ‘এটি অবিশ্বাস্য। ২০ বছর আগে আমি (অলিম্পিক স্বর্ণপদক) অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। ম্যাটিও একই স্বপ্ন দেখেছে। আমার চতুর্থ অলিম্পিক পর্যন্ত এর জন্য অপেক্ষা করতে হলো। অথচ অনেকে এবারের অলিম্পিকে আমাকে স্বর্ণজয়ের সম্ভাব্য তালিকায় রাখেনি। আমি নিজে ভেবেছিলাম রিওতে আমি স্বর্ণ জিতব। কিন্তু তা হয়নি। তবে এখন আমি বলতে পারব আমার ছেলে আমাকে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হতে দেখেছে টিভিতে। এটিও দুর্দান্ত এক অনুভূতি।’
প্রথম তিন ডাইভ শেষে ব্রিটেনের জুটি ছিল দ্বিতীয় স্থানে। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল চীনের কাও ইউয়ান এবং চিন আইসেন। তবে চতুর্থ রাউন্ডে এগিয়ে যায় টম-ম্যাট জুটি। এরপর আর তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সব শেষ ডাইভের পর ১০১ পয়েন্ট হয় গ্রেট ব্রিটেনের। চীনের সামনে তখন একটি পথই খোলা ছিল শেষ ডাইভে তাদের পারফেক্ট নম্বর পেতে হতো। কিন্তু তা হয়নি। মাত্র ১.৭৫ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় পায় ব্রিটেন। তাদের পয়েন্ট ছিল ৪৭১.৮১, চীনা জুটির ৪৭০.৫৮।