‘এখন শুধু বড় পর্দা, বড় পর্দা বলে বসে থাকলে চলবে না’

জনপ্রিয় অভিনেতা মামনুন হাসান ইমন অভিনীত বেশ কিছু চলচ্চিত্র মুক্তির অপেক্ষায়। সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে তিনি কথা বললেন দেশ রূপান্তরের সঙ্গে। 

ঈদ কেমন কাটল?

ঈদ ভালোই কেটেছে, খারাপ না। করোনার মধ্যে আসলে আগের মতো ঈদ করা যায় না। মাঝখানে ১৪দিন লকডাউন ছিল। এখন আবার লকডাউন চলছে। এর মধ্যে কোরবানিটা দেওয়া হয়েছে। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে যাওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে ফিফটি পারসেন্ট হ্যাপি হতে পেরেছি, পুরোপুরি নয়।

লকডাউনের আগে কী কী কাজ করেছেন?

একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা খুব খারাপ লাগছে- সেটা হলো গত দেড়/দুই বছর ধরেই করোনার কারণে সবকিছু স্থবির হয়ে আছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাজই আটকে গেছে। কিছু কাজ পুরোপুরি কমপ্লিট হয়েছে কিন্তু করোনার কারণে রিলিজ পাচ্ছে না। এর মধ্যে কানামাছি, বীরত্ব, আগামীকাল, তার মধ্যে ‘আবার’ নামে একটা হরর সিনেমা আছে। এতগুলো সিনেমা করলাম অথচ সিনেমা হল বন্ধ। এটা শুধু আমার ক্ষেত্রে নয়, সবার ক্ষেত্রেই ঘটছে। এর মধ্যে ঈদে দুইটা নাটকের কাজ করেছি। সেগুলোরও রেসপন্স ভালো।

‘আকবর-ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ঢাকা’র কি খবর?

কিছু ছবি আছে যেগুলোর কাজ শেষ করেছি আবার কিছু ছবি আছে বিগ বাজেটের। যেগুলোর অল্প কাজ হয়ে বাকিটা আটকে আছে। ‘আকবর’-এর কিছু কাজ করার পর আটকে গেছে। সৈকত নাসির তো    অনেক অ্যারেঞ্জমেন্ট নিয়ে কাজ করে। ফলে এটা শেষ হতে সময় লাগবে। ‘ব্লাড’ ছবিটাও এ রকম আটকে গেছে। এতে আমি আর মাহি আছি। তো সব মিলিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি।

ওটিটি প্ল্যাটফর্মের দিকে সবাই ঝুঁকছেন, আপনি কি কোনো কাজ করেছেন?

ওটিটির জন্য এখনো কাজ করিনি। তবে করব। কারণ ওটিটি তো বিগ প্ল্যাটফর্ম। মাঝে ‘মহানগর’ ওয়েব সিরিজটা দেখলাম, বেশ ভালো হয়েছে। শুধু এটাই নয়, ওটিটির কাজগুলো ভালো হচ্ছে। বড় বিষয় হচ্ছে ওটিটির কাজগুলো বাংলাদেশ ছাড়াও বাইরেও প্রচার হচ্ছে। আমার মনে হয় সিনেমা হলের চেয়েও এটা বড় প্ল্যাটফর্ম। যদিও বড় পর্দা বড় পর্দায়- সেটার ফিল আলাদা। কিন্তু এখন শুধু বড় পর্দা বড় পর্দা বলে বসে থাকলে চলবে না, ওটিটির জন্যও কাজ করতে হবে। আমি আসলে ওটিটিতেও ভালো ভালো কাজ করতে চাই।

নতুন কাজ নিয়ে জানতে চাই….

সামনে তো অনেকগুলো কাজই আসবে। বেশ কিছু নতুন কাজ শুরুও করব। ‘কানামাছি’ নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী। দু-এক দিনের কাজ বাকি আছে। বীরত্ব, আগামী এই ছবিগুলোও নিয়েও আশাবাদী। আর নতুন কাজের জন্য সিটিং মিটিং দরকার সেগুলো তো হচ্ছে না। দু-একটা কাজের ব্যাপারে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে আছে, সাইন করা হয়নি। আশা করছি লকডাউন শেষ হলেই আবারও পুরোদমে কাজে ফিরতে পারব।