বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপজেলার চাম্বল এলাকার ৬ টি ফিশিং ট্রলার এবং ৬ জন মাঝিমাল্লা নিখোঁজ রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
উপজেলার চাম্বল এলাকার প্রায় ১৫/২০টি ফিশিং ট্রলার মাছ ধরার জন্য মঙ্গলবার ভোরে বাংলা বাজার ঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতি জানায়, সকাল ৮ টার দিকে ফিশিং ট্রলারগুলো ঝড়ের কবলে পড়ে। এ সময় মাঝি-মাল্লাদের কয়জন ট্রলার থেকে পানিতে পড়ে যান। তাদের অনেকে অন্য ট্রলারের সহযোগিতায় উপকূলে ফিরতে পারলেও ৬ জন মাঝিমাল্লা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ মাঝিমাল্লারা হলেন- পশ্চিম চাম্বল এলাকার মৃত আহমদ উল্লাহর ছেলে আনিস মাঝি (৪৫), মৃত নুর মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৮), শীলকুপ এলাকার মৃত মফিজের ছেলে মিয়া (৩২), হোছাইন আহমদের ছেলে আবদুর সবুর, আস্করিয়া পাড়ার আমির হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, কুতুবদিয়া এলাকার ছৈয়দ আলম (৪৫)।
নিখোঁজ ট্রলারগুলোর মধ্যে রয়েছে- হেফাজতুল ইসলামে মালিকানাধীন এফবি মুশফিক, মোহাম্মদ ফারুকের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার, কেফায়েত উল্লাহর মালিকানাধীন আল্লাহর দান ফিশিং ট্রলার, নন্না মিয়ার মালিকানাধীন আরেকটি ফিশিং ট্রলার, মৌলভি আবুল খায়েরের মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলার, আনিস মাঝির ফিশিং ট্রলার।
চাম্বল বাংলা বাজার ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সহ সম্পাদক মো. আকতার বলেন, আরও কয়েকটি ফিশিং ট্রলার ও লোকজনের এখনো খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজ মাঝিমাল্লা ও ট্রলার উদ্ধারে কোস্ট গার্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
চাম্বল বাংলা বাজার ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি হেফাজতুল ইসলাম সন্ধ্যা ৭টায় জানান, ৬টি ফিশিং বোট ও ৬ জন মাঝিমাল্লা নিখোঁজ। সাগরে দায়িত্বরত কোস্ট গার্ডের সাথে তাদের যোগাযোগ হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৬টি ফিশিং ট্রলার ও নিখোঁজ জেলেদের কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।