সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণের লক্ষ্যে রক্ষিত এলাকার পরিমাণ আরো বাড়ানো হবে। ইতোমধ্যে বাঘ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবনের মধ্যে জিপিএস এর সাহায্যে ‘স্মার্ট পেট্রোলিং’ ও পরিচালনা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস উপলক্ষ্যে ‘বাঘ বাঁচায় সুন্দরবন, সুন্দরবন বাঁচায় লক্ষ জীবন’ প্রতিপাদ্যে বন অধিদপ্তরের আয়োজনে ওয়েবিনারে এমন বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার।
হাবিবুন নাহার বলেন, সুন্দরবনে বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বন বিভাগ ড্রোন ব্যবহার করছে। বন্যপ্রাণীর সুপেয় পানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক মিঠাপানির পুকুর খনন করা হয়েছে। সুন্দরবনে বর্তমানের এক শ বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে কাজ করছে সরকার। কোভিডকালে সুন্দরবনে মানুষের উপদ্রব কম হওয়ায় বাঘ বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরবনে বাঘের বসবাস উপযোগী নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে মানুষের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে ।
প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিদ মজুমদার বাবু প্রমুখ।