অনলাইন সভায় বক্তারা

দিনে ১০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য তৈরি হয় ঢাকায়

রাজধানীতে প্রতিদিন ১০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার টন দুই সিটি করপোরেশন সংগ্রহ করে মাতুয়াইল এবং আমিনবাজারে ডাম্পিং করে। বাকি বর্জ্য নালা-নর্দমা, খাল হয়ে নদীতে যাচ্ছে। এতে করে একদিকে যেমন পানি দূষিত করছে অন্যদিকে ভরাট হচ্ছে নদীর তলদেশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেসরকারি সংস্থা বারসিক আয়োজিত অনলাইন আলোচনা সভায় পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। ইউএস এইড এবং এফসিডিও’র অর্থায়নে এবং কাউন্টার পার্ট ইন্টারন্যাশনালের কারিগরি সহযোগিতায় ‘ঢাকা কলিং’ কনসোর্টিয়াম প্রকল্পের অংশ হিসেবে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান বলেন, কঠিন বর্জ্যকে অনিরাপদ অপসারণ পরিবেশ দূষিত করে এবং জনস্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ফেলে। বাংলাদেশের নগরের বর্জ্যরে শতকরা ৬৮-৮১ ভাগ হচ্ছে খাদ্য বর্জ্য। এটাকে সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে পারলে সম্পদে পরিণত করা যাবে।

লক হ্যাভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. খালেকুজ্জামান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট আইন মানা হয় না। বাংলাদেশে আইনের ঘাটতি নেই কিন্তু আইনের প্রয়োগও নেই। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিধিমালা নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, আগে ছিল ৭০ শতাংশ সংক্রামক ব্যাধি আর এখন হয়েছে ৭০ শতাংশ অসংক্রামক ব্যাধি। ঢাকা শহরের অধিকাংশ বস্তিবাসী এসব অসংক্রামক ব্যাধি ডায়াবেটিস, প্রেসার, হার্টের সমস্যা, ক্যানসারসহ নানা রোগে আক্রান্ত। আর এসব রোগের প্রধান কারণ হলো পরিবেশ দূষণ, তথা সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকা।