৪-১-৬-১। উইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মোহাম্মদ হাফিজের বোলিং ফিগার। তার এই কিপটে বোলিংয়েই ১৫৭ রান করেও ৭ রানের দারুণ জয় পেয়েছে পাকিস্তান। আর ১১১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে শুধু বোলিং দিয়ে এই প্রথম ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেন সতীর্থদের কাছে ‘প্রফেসর’ হিসেবে পরিচিত অলরাউন্ডার। ছুঁয়েছেন কৃপণতম বোলিংয়ে কুড়ি-বিশ ক্রিকেটে লাসিথ মালিঙ্গার রেকর্ড। ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন মালিঙ্গা। ম্যাচ শেষে হাফিজের প্রশংসা করে অধিনায়ক বাবর আজম বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ের সময় আমরা ১৫-২০ রান কম করেছি। কিন্তু বোলাররা সেই ঘাটতিটা পুষিয়ে দিয়েছে। হাফিজ ভাই পাওয়ার-প্লেতে নিজের অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ ব্যবহার করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে বলছি, হাফিজ ভাইয়ের পারফরম্যান্স আমাকে দারুণ তৃপ্তি দিয়েছে।’ হাফিজ নিজে বলেছেন, ‘আমি জানতাম এই কন্ডিশনে স্পিনারদের বিপক্ষে ব্যাটিং করাটা খুব কঠিন। ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগিয়েছি। আমি বোলিংটা যতটুকু জানি, পুরোটাই প্রয়োগ করতে চেয়েছি। এবং ভালো লাগছে যে সেটি আমি করতে পেরেছি। আমি বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে বোলিং করে মজা পাই। তাদের চাপে ফেলেই ফলটা পেয়েছি।’ টি-টোয়েন্টিতে হাফিজের সেরা বোলিং ২-০-১০-৪। কিন্তু ৭১ রান করেছিলেন বলে ম্যাচসেরার পুরস্কার শুধু বোলিংয়ের কারণে পাননি হাফিজ ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই ম্যাচে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান : ১৫৭/৮ (বাবর ৫১, রিজওয়ান ৪৬, হোল্ডার ৪/২৬, ব্রাভো ২/২৪)। উইন্ডিজ : ১৫০/৪ (পুরান ৬২*, লুইস ৩৫। হাফিজ ৪-১-৬-১)। ফল : পাকিস্তান ৭ রানে জয়ী। চার ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেছে পাকিস্তান।