তৃতীয় ঢেউ চলার ভেতর করোনার চতুর্থ ঢেউ নিয়ে চিন্তিত জার্মানি। পরিস্থিতি যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেই চেষ্টা করছে দেশটি।
ইউরোপের অনেক দেশের তুলনায় জার্মানিতে করোনা সংক্রমণের হার এখনো কম, যদিও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। আক্রান্তদের মধ্যে চরম ছোঁয়াচে ডেল্টা ভেরিয়েন্টের অনুপাতও বাড়ছে। প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে সংক্রমণের গড় সাপ্তাহিক হার প্রায় ২০ ছুঁতে চলেছে।
ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে কিছু পূর্বাভাষ এখনই পাওয়া যাচ্ছে। যেমন বদ্ধ ঘরে জমায়েতের ক্ষেত্রে মাস্ক পরার নিয়ম কমপক্ষে আগামী বছরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত চালু রাখা হতে পারে।
সেই সঙ্গে করোনা টিকা কর্মসূচিতে আরও গতি আনতে নতুন সিদ্ধান্তও সম্ভব। এখন পর্যন্ত মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৩ শতাংশ টিকার সব প্রয়োজনীয় ডোজ পেয়ে গেছে, ৬৩ শতাংশ শুধু প্রথম ডোজ পেয়েছে।
এমন অবস্থায় টিকাপ্রাপ্ত ও করোনাজয়ীদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে বাকিদের উপর পরোক্ষ চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে। সংক্রমণের হার আরও বাড়লে শুধু করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ ফল দেখিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ, দোকানবাজার ইত্যাদি বদ্ধ জায়গায় প্রবেশের অধিকার বাতিল করা হতে পারে। এমন পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোরালো বিতর্ক চলছে।