৭৮৮৬ কোটি টাকা আয়ের পর লাভের মুখ দেখবে জেমস বন্ড

শুধু বক্স অফিস আয় থেকে বাজেট বাদ দিলেই সিনেমা লাভজনক হয় না। যত বড় ব্লকবাস্টার হোক না কেন লাভের মুখ দেখতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। বাজেটের পর আছে অন্যদের সঙ্গে আয় ভাগাভাগির বিষয়।

এই যেমন; বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয়ের অন্যতম সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ বক্স অফিসে তুলে নিয়েছিল ২৮০ কোটি ডলার। কিন্তু প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডিজনি নিট প্রফিট আকারে পায় ৯০ কোটি ডলার। লাভের এ অঙ্ক নিশ্চয় কম নয়। কিন্তু এটাও ভাবুন, প্রায় ২০০ কোটি ডলার তাদের হাতের বাইরে থেকে গেছে।

শিগগিরই জেমস বন্ড সিরিজের ইতিহাসে সবশেষ বড় কমার্শিয়াল রিটার্ন হতে যাচ্ছে ‘নো টাইম টু ডাই’। সে ছবিও লাভজনক হতে হলে দরকার বড় অঙ্কের আয়।

জানা গেছে, সিরিজের ২৫তম ছবিটি ব্রেক ইভেনে পৌঁছাতে ৯২৮ মিলিয়ন ডলার বা কমপক্ষে ৭৮৮৬ কোটি টাকা আয় করতে হবে। তারপরই লাভের মুখ দেখবে। যেখানে আগের ছবি ‘স্পেক্টার’ আয় করেছিল ৮৮ কোটি ডলার, যদিও ২৩তম ছবি ‘স্কাইফল’-এর আয় ছিল ১১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ, আয়ের অঙ্ক ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকলে ‘নো টাইম টু ডাই’ ফ্লপ করবে।

একাধিক প্রতিবেদন জানায়, এ ছবির বাজেট ৩০ কোটি ডলারের বেশি। এরপর আছে বিজ্ঞাপন ও প্রচার ব্যয়, যা শুরু হয়েছে দুই বছর আগে। এরপর করোনা পরিস্থিতিতে দফায় দফায় মুক্তির তারিখ বদলে বেড়েছে যায় খরচ। এখন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এমজিএম থিয়েটার ডিস্ট্রিবিশনে পঞ্চাশ-পঞ্চাশ নীতিতে আগাচ্ছে। সে হিসেবে খরচ ওঠে আসতেই প্রাথমিকভাবে আয় করতে হবে ৪৫ কোটি ডলারের বেশি।

প্রথমে ঘোষিত তারিখ থেকে ১৮ মাস পিছিয়ে আগামী বছর মুক্তি পাবে ডেনিয়েল ক্রেইগ, রামি মালিক অভিনীত এ ছবি। করোনার কারণে ৯০ কোটি ডলারকে বড় অঙ্কই ধরা হচ্ছে এখন। তবে আশা করা হচ্ছে, প্রথম ছবি ‘ডক্টর নো’র ৬০ বছর পূর্তিকে স্মরণ করে দর্শক থিয়েটারে ভিড় জমাতেও পারে।