বরখাস্তের কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না মানিক

দল ব্যর্থ হলে কোচের চাকরি হারানো ফুটবলে প্রচলিত নিয়ম। তবে সে জন্য সংবাদ সম্মেলন করে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে কোচের বিষোদগার করার ঘটনা খুব দেখা যায় না। গতকাল এমন ঘটনাই ঘটিয়েছেন সদ্য শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের কোচের চাকরি হারানো কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক। সোমবার বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের তিন ঘণ্টা আগে ক্লাবের এই সিদ্ধান্ত জানতে পারেন মানিক। শেষ দিকে জামাল নিশ্চিত কিছু ম্যাচে বাজেভাবে পয়েন্ট হারানোয় শিরোপা রেস থেকে ছিটকে যায়। তাতেই তার ওপর আস্থা হারায় ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। খোলা চোখে এটাই ছিল তার বরখাস্তের কারণ। তবে সংবাদ সম্মেলনে মানিক পেছনের আরও কিছু কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছেন। এর মধ্যে নানা কারণে ক্লাব সভাপতি মনজুর কাদেরের রোষের শিকার হওয়া, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়াকেও চাকরি হারানোর কারণ মনে করছেন তিনি।

মানিক বলেন, ‘চিঠিতে বরখাস্তের কোনো কারণ দেখানো হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, আমি আর কোচের পদে নেই। আমি নিজেই জানি না কেন এই অবস্থা হলো। আমাদের দল তো খারাপ অবস্থায় ছিল না। মাঝারি মানের দল নিয়েও শীর্ষ পর্যায়ে লড়াই করেছি। এখনো দলের রানার্সআপ হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক এমন সময় আমাকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে।’ সরাসরি বিষোদগার না করলেও ক্লাব সভাপতি এখন আর ক্লাব পরিচালনার জন্য যোগ্য নন বলে মন্তব্য করেন তিনি, ‘২০১৬ বাফুফে নির্বাচনের পর থেকে কাদের ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। আমি মনে করি ক্লাবের স্বার্থেই তাকে শীর্ষ পদ থেকে সরিয়ে অন্য কোনো দায়িত্ব দেওয়া উচিত। আমার বরখাস্তের পেছনে বাফুফে নির্বাচনে অংশ নেওয়াও একটা কারণ হতে পারে। আগে সালাউদ্দিন ভাইয়ের (বাফুফে সভাপতি) কাদের ভাইয়ের খারাপ সম্পর্ক ছিল। এখন সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে। আমি সভাপতি পদে নির্বাচন করায় নাকি তাকে অনেক কথা শুনতে হয়। বরখাস্তের পেছনে হতে পারে এটাও একটি কারণ।’